রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চিলাখাল স্কুল পর্যন্ত তিস্তা নদীর তীরে হঠাৎ তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। গত শনিবার রাতে আকস্মিকভাবে এই ভাঙন দেখা দেওয়ায় নদীপাড়ের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
রাতেই খবর পেয়ে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে ছুটে যান উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এ সময় তারা নদীপাড়ের মানুষের অসহায়ত্ব ও দুর্ভোগের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং স্থানীয়দের কাছ থেকে ভাঙনরোধে স্থায়ী তীররক্ষার বিভিন্ন দাবি শোনেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী বেলাল ও সাংগঠনিক সম্পাদক আপেল মাহমুদ। এছাড়া দপ্তরের দায়িত্বে থাকা গোলাম রব্বানী রঞ্জু এবং কোলকোন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুজ্জামান বেঞ্জুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তার ভাঙন তাদের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও নিত্যদিনের আতঙ্ক যার কারণে প্রতিবছর বসতবাড়ি, আবাদি জমি ও জীবিকা হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়। আজাদ মিয়া, জলিল হোসেন ও খোকা মিয়ার মতো ক্ষতিগ্রস্ত মানুষেরা অবিলম্বে সাময়িক জিওব্যাগ ফেলার পাশাপাশি নদীর তীর স্থায়ীভাবে রক্ষা এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জানান।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী ও সভাপতি চাঁদ সরকার জানান, তিস্তাপাড়ের মানুষের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধান ও তাদের বসতভিটা রক্ষায় স্থানীয়দের দাবিগুলো তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরবেন। এদিকে স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী তাদের বাড়িঘর ও ফসলি জমি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।