রংপুর নগরীর দাসপাড়ার চাঞ্চল্যকর গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
রোববার রাতে রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত এবং নিহতদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ঘটনাস্থলে আসামিদের উপস্থিতি কিংবা আলামতের সঙ্গে তাদের কোনো জৈবিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে যাচাই করা হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের অংশ হিসেবে সিআইডি কার্যালয়ে আসামিদের নমুনা দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সোমবার তাদের ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে দ্রুতই তাদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর নিথর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশি অভিযানে প্রতিবেশী মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেফতার করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত ন্যায়বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।