আসন্ন ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজকে সামনে রেখে ইংল্যান্ড তাদের ১৬ সদস্যের শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। তবে বড় ধাক্কা হিসেবে পাকিস্তান সফরের এই দলে রাখা হয়নি অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক ব্যাটার জস বাটলার এবং পেসার জোফরা আর্চারকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়া বাটলারের পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার চ্যালেঞ্জ সামলাতে হবে নতুনদের। অন্যদিকে, দীর্ঘ ও ব্যস্ত গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের ধকল কাটাতে আর্চারকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
চোট কাটিয়ে এই সিরিজের মাধ্যমেই দলে ফিরেছেন লেগ স্পিনার আদিল রশিদ এবং অলরাউন্ডার স্যাম কারেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে সিরিজ জয়ের সময় হাতের চোটে বাইরে ছিলেন রশিদ। একই সঙ্গে কুঁচকির চোট কাটিয়ে কারেনের ফেরা ইংল্যান্ডের ভারসাম্য বাড়াবে বলেই মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
দীর্ঘ ৮ বছরের বিরতি ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পেয়েছেন গ্ল্যামারগনের লেগ স্পিনার ম্যাসন ক্রেইন। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনি টেস্টে সবশেষ লাল বলের জার্সিতে দেখা গেলেও, ওয়ানডে ফরম্যাটে এখনও অভিষেক হয়নি তার। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে তাকে দলে ডেকেছেন নির্বাচকরা। এছাড়াও সাসেক্সের তরুণ জুটি জেমস কোলস এবং হেনরি ক্রোকামকে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দল নির্বাচন প্রসঙ্গে ইংল্যান্ডের প্রধান নির্বাচক মার্কাস নর্থ জানিয়েছেন, ভিন্ন কন্ডিশনে নিজেদের শক্তির পরীক্ষা নেওয়ার বড় সুযোগ এটি। তিনি আরও যোগ করেন, ম্যাসন ক্রেইন একজন অভিজ্ঞ ও উঁচু মানের স্পিনার, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমেই পুনরায় জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন। আর্চারের কাজের চাপ কমানোর লক্ষ্যেই তাকে এই সিরিজে বিশ্রামে রাখা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন নর্থ।
পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে আয়োজিত এই ত্রিদেশীয় সিরিজটি রাওয়ালপিন্ডি এবং লাহোরে অনুষ্ঠিত হবে। ডাবল রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই টুর্নামেন্টের প্রতিটি ম্যাচই হতে যাচ্ছে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলের সেরা দুই দল আগামী ৩১ অক্টোবর লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে।