পচেফস্ট্রোমে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ডিএলএস পদ্ধতিতে ৪৫ রানে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ের পর শুরু হয় এবং দক্ষিণ আফ্রিকার রান তাড়ায় ২৮ ওভার হওয়ার পরই বৃষ্টির হানায় আর খেলা মাঠে গড়ায়নি। ফলে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধবলধোলাইয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে যায়।
টসের পর দক্ষিণ আফ্রিকার আমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩২২ রানের পাহাড়সমান সংগ্রহ দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া। মিচেল মার্শ মাত্র ৩৩ বলে বিস্ফোরক গতিতে নিজের টানা তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। এরপর ওলি পিকে এবং অ্যালেক্স কেরির দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া বড় সংগ্রহের ভিত পায়। কেরি করেন ৭৪ রান, মার্শ ৫৬ রান এবং পিকে করেন ৪৮ রান। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণে করবিন বশ ৬০ রানে নেন ৪ উইকেট।
জবাবে রান তাড়ায় নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে প্রোটিয়ারা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই শূন্য রান করে সাজঘরে ফেরেন কুইন্টন ডি কক। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে মাঝপথেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন টনি ডি জর্জি। রায়ান রিকেলটন অপরাজিত ৭১ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করলেও বৃষ্টির কারণে খেলা বন্ধ হওয়ার সময় স্বাগতিকরা ডিএলএস পার স্কোরের চেয়ে বেশ পিছিয়ে ছিল।
অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে বোলিংয়ে এক্সাভিয়ার বার্লেট ২৫ রানে এবং অ্যাডাম জাম্পা ৩৪ রানে দুটি করে উইকেট শিকার করেন। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির কারণে আর খেলা শুরু করা সম্ভব না হলে ডিএলএস পদ্ধতিতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অজিরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: অস্ট্রেলিয়া: ৩২২/৯ (৫০ ওভার) (অ্যালেক্স কেরি ৭৪, মিচেল মার্শ ৫৬, ওলি পিকে ৪৮; করবিন বশ ৪-৬০) দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৪৫/৪ (২৮ ওভার) (রায়ান রিকেলটন ৭১*, এক্সাভিয়ার বার্লেট ২-২৫, অ্যাডাম জাম্পা ২-৩৪) ফল: অস্ট্রেলিয়া ডিএলএস পদ্ধতিতে ৪৫ রানে জয়ী।