ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী আনন্দবাজারে ডিজিটাল পাল্লায় রশি ও রাবার বেঁধে ক্রেতাদের ওজনে কম দেওয়ার অপরাধে আপেল মাহমুদ নামের এক ইলিশ মাছ বিক্রেতাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় এই অভিযান পরিচালনা করে এবং বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
সাধারণ ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় আনন্দবাজারের মাছের পাইকারি ও খুচরা আড়ত এবং দোকানগুলোতে নিয়মিত তদারকি অভিযান চালানো হয়। অভিযانকালে বাজারের মেসার্স সিয়াম মিয়া নামক ইলিশের দোকানে গিয়ে বিক্রেতা আপেল মাহমুদের ওজন পরিমাপক যন্ত্রে কারচুপির প্রমাণ মেলে।
অসাধু বিক্রেতা আপেল মাহমুদ ওজন মেশিনের ভেতরের অংশের সঙ্গে একটি রাবার ও রশি যুক্ত করে তা গামছার আড়ালে কৌশলে টেনে ওজনে কম দিয়ে আসছিলেন। তদারকিকালে বিষয়টি হাতেনাতে ধরা পড়ে এবং রশি-রাবারসহ পুরো কারচুপি প্রকাশ্যে আসে।
এ সময় বিক্রেতা আপেল মাহমুদ তার অপরাধ স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে এমন অসদুপায় অবলম্বন না করার অঙ্গীকার জানান। পরবর্তীতে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অপরাধী বিক্রেতাকে নগদ ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।
জনস্বার্থে ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় বাজারে এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান অধিদপ্তরের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও ভোক্তারা এ ধরনের নিয়মিত অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও কঠোর নজরদারি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।