৪ ফিলিস্তিন অ্যাকশন কর্মী ক্ষতিসাধনের দায়ে দণ্ডিত

মঙ্গলবার একটি ব্রিটিশ আদালতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সংস্থা এলবিট সিস্টেমসের কারখানায় ভাঙচুরের অভিযোগে ফিলিস্তিন অ্যাকশনের ছয় কর্মীর মধ্যে চারজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে স্যামুয়েল কর্নার নামের একজন কর্মী একজন পুলিশ সার্জেন্টের ওপর গুরুতর আঘাত হানার জন্যও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। গত ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ব্রিস্টলের কাছে ফিল্টনে অবস্থিত ওই কারখানায় এই ঘটনা ঘটেছিল।
উলউইচ ক্রাউন কোর্টের বিচারকদের সামনে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত কর্মীরা হলেন শার্লট হেড (২৯), স্যামুয়েল কর্নার (২৩), লিওনা কামিও (৩০) এবং ফাতিমা রাজওয়ানি (২১)। তারা হাতুড়ি ও ক্রোবার ব্যবহার করে এলবিট সিস্টেমসের ড্রোন, কম্পিউটারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ধ্বংস করেছিলেন। এছাড়া তারা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রের সাহায্যে দেয়াল ও মেঝেতে লাল রঙ ছিটিয়ে দেন।
স্যামুয়েল কর্নারকে ১৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জুরির আলোচনার পর সার্জেন্ট কেট ইভান্সকে গুরুতর শারীরিক আঘাতের জন্য ১১-১ সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তিনি হাতুড়ি দিয়ে ওই সার্জেন্টের ওপর আঘাত করেছিলেন। তবে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের অভিযোগ থেকে কর্নার মুক্তি পান। এই মামলার অন্য দুই অভিযুক্ত, জো রজার্স (২২) এবং জর্ডান ডেভলিন (৩১), ফৌজদারি ক্ষতির অভিযোগ থেকে খালাস পেয়েছেন।
আদালত জানায়, এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পূর্বে গুরুতর চুরি (অ্যাগ্রেভেটেড বার্গলারি) মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছিল, যেখানে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তবে সেবার ভিন্ন একটি জুরি তাদের খালাস দিয়েছিল। পূর্ববর্তী বিচারে রাজওয়ানি, রজার্স এবং ডেভলিনকে সহিংস বিশৃঙ্খলার (ভায়োলেন্ট ডিসঅর্ডার) অভিযোগ থেকেও নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীকালে প্রসিকিউটররা হেড, কর্নার ও কামিওর বিরুদ্ধে সহিংস বিশৃঙ্খলার অভিযোগ আর অনুসরণ করেননি।
আদালত এই মামলায় দোষী সাব্যস্তদের সাজা পরবর্তীতে ঘোষণা করবে বলে জানিয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান