জিদানের নতুন অধ্যায়ের সূচনা তুরস্কের মাঠে ফ্রান্সের চ্যালেঞ্জ

উয়েফা নেশনস লীগে এক নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। কোজেলি স্টেডিয়ামে তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ফ্রান্সের ডাগআউটে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক হতে চলেছে কিংবদন্তি জিনেদিন জিদানের। দীর্ঘ ১৪ বছর দলের দায়িত্বে থাকা দিদিয়ে দেশমের উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জিদান এখন ফরাসি ফুটবলের নতুন রূপকার হওয়ার অপেক্ষায়।

খেলোয়াড়ি জীবনে ফ্রান্সের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপানো জিদান কোচ হিসেবেও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিতে। তবে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে প্রথম ম্যাচটি নিয়ে তিনি বেশ আবেগপ্রবণ। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেকের চেয়েও কোচ হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করা তার কাছে অনেক বেশি বিশেষ এক অনুভূতি।

১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের প্রাণভোমরা ছিলেন এই জিজু। ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে যিনি প্যারিসের আর্ক দ্য ত্রিম্ফে নিজের নাম খোদাই করেছিলেন, সেই জিদান এখন নতুন চ্যালেঞ্জের সামনে। ১৯৯৪ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে দুই গোল করে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করা এই মহাতারকা এখন ডাগআউট থেকে শিষ্যদের দিকনির্দেশনা দেবেন।

তুরস্কের বিপক্ষে এই লড়াইয়ের পর ফ্রান্সের সামনে রয়েছে কঠিন সূচি। আগামী সোমবার বেলজিয়ামের মুখোমুখি হওয়ার পর অক্টোবর মাসে ইতালি ও বেলজিয়ামের বিপক্ষে ফিরতি ম্যাচ খেলবে ফরাসিরা। রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে অর্জিত সাফল্য এবং খেলোয়াড় হিসেবে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের কারণে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের প্রত্যাশার পারদ এখন তুঙ্গে।

নতুন এই যাত্রায় জিদান কতটা সফল হন, তা দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব ফুটবল। তার কৌশলগত দক্ষতা এবং খেলোয়াড়দের সাথে বোঝাপড়া ফ্রান্সকে নেশনস লীগে কতদূর নিয়ে যেতে পারে, সেটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ফরাসি ফুটবলের সোনালী অধ্যায়ের পর কোচ হিসেবে জিদানের এই নতুন পথচলা ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক বড় আকর্ষণ।

০%
০%
০%
০%