চাঁদপুরের হাইমচরে পাঁচ বছর বয়সী শিশু মরিয়মকে রাসেল ভাইপারের দংশনের পর, তার বাবা মনির হোসেন এক হাতে দংশনকারী সাপটিকে বোতলে ভরে এবং অন্য হাতে আহত কন্যাকে নিয়ে ছুটে যান হাসপাতালে। সোমবার দুপুরে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
দুর্গম চরাঞ্চল নীলকমল ইউনিয়নের শেখকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মনির হোসেনের ছোট মেয়ে মরিয়ম বাড়ির সামনে খেলা করছিল। বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ একটি রাসেল ভাইপার শিশুটির পায়ে দংশন করে। মুহূর্তের মধ্যে সাপটিকে খুঁজে বের করে একটি বোতলে বন্দি করেন মনির।
এরপর তিনি এক হাতে সন্তান ও অন্য হাতে বিষধর সাপটিকে নিয়ে প্রথমে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে দ্রুত চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে শরণাপন্ন হন।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক দল দ্রুত শিশুটির চিকিৎসা শুরু করে। অ্যান্টিভেনমসহ প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র প্রয়োগে শিশুটি সেরে উঠতে শুরু করে।
হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. এনামুল হক জানান, সঠিক সময়ে শিশুটিকে হাসপাতালে আনায় এবং কোনো ওঝা বা কবিরাজের কাছে সময় নষ্ট না করায় তার জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে শিশু মরিয়মকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং আগামী ২৪ ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।