ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার চান্দেরহাট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আসাদুজ্জামান নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এই মর্মান্তিক সীমান্ত হত্যার ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশিকে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
নিহত আসাদুজ্জামান পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের ওয়াজ উদ্দীনের ছেলে। অপরদিকে আটককৃতরা হলেন একই এলাকার মোস্তাকিম ও শ্রী উদা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার থেকে ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশি চোরাকারবারিদের একটি দলের ওপর বিএসএফ ক্যাম্পের টহলদল গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আসাদুজ্জামান গুরুতর আহত হলে তাকে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
বৈরচুনার ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য শাহাজাহান আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে তিনি বিষয়টি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জেনেছেন এবং নিহতের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান যে তিনিও ভারতের অভ্যন্তরে এক বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যার বিষয়টি শুনেছেন।
সীমান্তে এ ধরনের প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগ ও বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত ন্যায়বিচার ও এর সুষ্টু প্রতিকার দাবি করেছেন। এই বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।