AdvertisementAdvertisement

পাকিস্তানে ৩০ জনের বেশি লস্কর জঙ্গি নিধনের কথা স্বীকার করল সংগঠনের সদস্য

পাকিস্তানের মাটিতে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে লস্কর-ই-তৈবার ৩০ জনেরও বেশি শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, লস্করের সদস্য রিজওয়ান হানিফকে একটি ভিডিওতে এই স্বীকারোক্তি দিতে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব না হলেও, এতে গত তিন থেকে চার বছরে পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরে একের পর এক জঙ্গি নিধনের বিষয়টি উঠে এসেছে।

ভাইরাল ওই ভিডিওতে রিজওয়ান হানিফ দাবি করেছে, ২০০৮ সালের মুম্বাই হামলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা অনেক জঙ্গি পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিন্ডি ও রাওয়ালকোটের মতো শহরগুলোতে প্রাণ হারিয়েছে। একই সঙ্গে সে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বিরুদ্ধে এই হামলার নেপথ্যে কলকাঠি নাড়ার অভিযোগ তুলেছে। তবে ভারত বরাবরই পাকিস্তানের এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে এসেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ভারতের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারত সরকার বরাবরই আপসহীন। প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট জঙ্গিরা কাপুরুষোচিত হামলা চালায়। তার প্রেক্ষিতেই ৬ ও ৭ মে’র মধ্যবর্তী রাতে ভারত সরকার পাকিস্তানের অভ্যন্তরে অবস্থিত জঙ্গিদের নয়টি গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। ওই অভিযানে প্রমাণ হয়েছিল যে, প্রয়োজনে পাকিস্তান ভূখণ্ডে সামরিক বা অসামরিক যেকোনো অবস্থানে আঘাত হানার সক্ষমতা ভারতের রয়েছে।

তবে ভারত সবসময়ই দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি বজায় রাখতে বিশ্বাসী। পাকিস্তান বারবার ভারতের সামরিক ঘাঁটি ও বেসামরিক এলাকায় হামলার অপচেষ্টা চালালেও, প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর পাল্টা অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে পাকিস্তান শেষ পর্যন্ত নয়াদিল্লির কাছে সংঘর্ষবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে অনুরোধ জানায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেদের মাটিতেই জঙ্গিদের ক্রমহ্রাসমান সংখ্যা পাকিস্তানের নিরাপত্তার ভিতকে আরও নড়বড়ে করে দিয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%