জাপানের সাথে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মানবসম্পদ উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনে জাপানের প্রতি আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা উনো ইয়োশিমাসা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে সরকারপ্রধান এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মী, কৃষিশ্রমিক ও গাড়িচালক নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের মতো আরও একটি শিল্প পার্ক স্থাপনে জাপান আগ্রহী হলে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে।

পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে আলোচনায় আগামী ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন এবং চলমান ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট বা এমআরটি প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়টি উঠে আসে। দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট এই প্রকল্পগুলোর সফল বাস্তবায়নে নিবিড় সমন্বয়ের বিষয়েও উভয় পক্ষ ঐকমত্য প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান।

বিজ্ঞাপন

জাপানি প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলবিষয়ক সহকারী ভাইস মিনিস্টার নাকায়ামা রিয়েকো, জাপানের সিভিল এভিয়েশন ব্যুরোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি।

সম্পর্কিত- প্রধানমন্ত্রী
0%
0%
0%
0%