AdvertisementAdvertisement

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ৮৪ শতাংশ ভোট গ্রহণ তারকাদের অনুপস্থিতি নিয়ে জল্পনা

ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) আজ যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। সকাল সাড়ে নয়টায় ভোটগ্রহণ শুরুর পর থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত বিএফডিসি প্রাঙ্গণে ছিল তারাময় উপস্থিতি। এবারের নির্বাচনে ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা মোট ভোটারের প্রায় ৮৪ শতাংশ।

ভোটের দিন সকালের দিকে উপস্থিতিতে কিছুটা ভাটা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে আমেজ। প্রবীণ শিল্পীদের সরব উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে ভোটকেন্দ্র। কিংবদন্তি অভিনেতা আবুল হায়াত, আলমগীর, সোহেল রানা ও উজ্জ্বলসহ অভিনয়শিল্পী আনোয়ার, সুজাতা এবং ডলি জহুর দীর্ঘদিনের সতীর্থদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ভোট দিতে দেখা যায়। তবে রূপালী পর্দার তিন উজ্জ্বল নক্ষত্র সুচন্দা, ববিতা ও চম্পার অনুপস্থিতি অনেককেই হতাশ করেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সময়ের জনপ্রিয় তারকাদের বড় একটি অংশ এবারের নির্বাচনে বিমুখ ছিলেন। চিত্রনায়ক শাকিব খান, সিয়াম আহমেদ, আরিফিন শুভ, ইমন, নিরব কিংবা অপু বিশ্বাস, পরীমনি, বুবলী—কাউকেই ভোটকেন্দ্রে দেখা যায়নি। এমনকি নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেও পরবর্তীতে বাপ্পারাজকেও দেখা মেলেনি। তবে তারুণ্যের প্রতিনিধি হিসেবে অনন্ত জলিল, বাপ্পী চৌধুরী এবং ইয়াশ রোশানের সরব উপস্থিতি নজর কেড়েছে সকলের।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল মূলত দুটি প্যানেলের মধ্যে। একটি প্যানেলে সভাপতি প্রার্থী ফাইট ডিরেক্টর ও প্রযোজক আরমান এবং সাধারণ সম্পাদক পদে চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই প্যানেলে সহসভাপতি হিসেবে লড়ছেন নূতন ও ইলিয়াস কোবরা। অন্যদিকে, অভিনেতা শিবা সানু ও চিত্রনায়ক জয় চৌধুরীর প্যানেলে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন রোজিনা ও ডি এ তায়েব।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য যে, গত মেয়াদে সমিতির নেতৃত্বে থাকা মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল এবারের নির্বাচনে কোনো পদেই প্রার্থী হননি। চলচ্চিত্র অঙ্গনের মানুষেরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ফলাফলের জন্য।

0%
0%
0%
0%