চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার প্রবাসে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর দেশে ফিরেছে মো. মামুনুর রশিদ (৩৭) নামের এক যুবকের মরদেহ। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক প্রবাস জীবন কাটানোর পর কফিনবন্দি হয়ে তার এই ফেরা স্বজন ও এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত মামুনুর রশিদ উপজেলার কালীপুর ইউনিয়নের পালেগ্রাম তালুকদার বাড়ির মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র। গত ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি প্রাণ হারান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর এসি মেরামতের জন্য ছাদে যান তিনি। মেরামতের একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
মৃত্যুর পাঁচ দিন পর শনিবার রাতে এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। পরে রাত ৯টার দিকে বিমানবন্দর থেকে নিহতের স্বজনরা মরদেহ গ্রহণ করেন।
ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে পালেগ্রাম মাগন আলী জামে মসজিদ মাঠে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। প্রায় ২০ বছর ধরে প্রবাসে থেকে তিনি কন্ট্রাক্টের ভিত্তিতে ভবনের ডেকোরেশন, টাইলস ও ডিজাইনের কাজ করতেন।