পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার রিতার ইন্তেকাল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃতী সন্তান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ফেরদৌসি শাহরিয়ার রিতা রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৫৪ বছর বয়সী এই কর্মকর্তা। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মরহুমার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মিরপুর-৬ নম্বর এলাকায় জোহরের নামাজের পর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে মিরপুর-১০ নম্বর কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে। তিনি নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চিত্রি গ্রামের সাহেব বাড়ির সন্তান এবং প্রয়াত জাতীয় শিক্ষক নেতা প্রফেসর এম শরিফুল ইসলামের ভাতিজি ছিলেন। তার বাবা মো. শফিকুল ইসলাম একজন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং স্বামী সড়ক ও জনপথ বিভাগের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
১৯৯৯ সালের ২৫ জানুয়ারি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সহকারী সচিব হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন ফেরদৌসি শাহরিয়ার রিতা। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকক, রোম, ম্যানচেস্টার ও ওয়াশিংটনসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর সর্বশেষ তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।
তার মৃত্যুতে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টার পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ দূত হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ মন্ত্রণালয়য়ের সহকর্মীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও নবীনগর উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, নবীনগর প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
