AdvertisementAdvertisement

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংলাপ টিকিয়ে রাখতে ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম অপরিহার্য পাকিস্তানের দাবি

নিউ ইয়র্কে আয়োজিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের এক জরুরি অধিবেশনে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিফ ইফতিখার আহমদ ‘ইসলামাবাদ মেমোরেন্ডাম’-কে দৃঢ় ও বলিষ্ঠ কূটনীতির এক অনন্য বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংলাপে এই সমঝোতা স্মারকটি একটি অপরিহার্য কাঠামো হিসেবে কাজ করছে। আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে আলোচনার কোনো বিকল্প নেই বলে পাকিস্তান যে দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান নিয়েছিল, এই চুক্তি তার সফল প্রতিফলন।

গত ২০২৬ সালের ১৭ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ১৮ জুন এই নথিতে স্বাক্ষর করেন। পাকিস্তানর এই কূটনৈতিক উদ্যোগ মূলত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখা, উত্তেজনা প্রশমন এবং টেকসই সমঝোতার পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

আসিফ ইফতিখার জানান, সমঝোতা চুক্তির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পাকিস্তানর শীর্ষ নেতৃত্ব সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এবং আঞ্চলিক সহযোগী দেশগুলোর সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে। ওয়াশিংটন ও তেহরান উভয় পক্ষই এখনো আলোচনার টেবিলে সক্রিয় রয়েছে, যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি। কোনো প্রকার উত্তেজনা যেন আর না বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে পাকিস্তান বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধির নানা পদক্ষেপ গ্রহণ ও কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

পাশাপাশি, জিসিসিভুক্ত দেশগুলোর ওপর চালানো যেকোনো হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান। বাহরাইন ও কুয়েতের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে দেশটির প্রতিনিধি সতর্ক করেন যে, সংঘাতের বিস্তৃতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য চরম বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কাতারের পাশাপাশি সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর এবং চীনের সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পাকিস্তান পুনরায় স্পষ্ট করেছে যে, টেকসই শান্তির একমাত্র পথ হলো খোলামেলা ও গঠনমূলক সংলাপ।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ

0%
0%
0%
0%