কমলাপুরে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীদুর্ভোগ চরমে

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের লক্ষ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের পথে ছুটছেন হাজারো মানুষ। সোমবার ছুটির প্রথম দিনেই কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তবে শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন অনেক যাত্রী। সকাল থেকে অন্তত পাঁচটি ট্রেন বিলম্বে ছেড়ে যাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।

বিজ্ঞাপন

স্টেশন কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সকাল থেকে ১৫টি ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেলেও এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ট্রেন ছিল সময়সূচির বাইরে। এর মধ্যে ধূমকেতু এক্সপ্রেস আধা ঘণ্টা পিছিয়ে সকাল সাড়ে ছয়টায় এবং নীলসাগর এক্সপ্রেস দীর্ঘ বিলম্বের পর সকাল আটটা ১০ মিনিটে যাত্রা শুরু করে। রংপুর এক্সপ্রেস এবং তিতাস কমিটার ট্রেনের ক্ষেত্রেও বিলম্বের সময়সীমা আরও দীর্ঘ হয়েছে। এমনকি সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছায়নি।

ট্রেন যাত্রায় ভোগান্তি থাকলেও ঈদে বাড়ি ফেরার আনন্দ ম্লান হয়নি সাধারণ মানুষের। বিশেষ করে সরকারি ছুটির আগেই কর্মস্থল ছাড়তে পারায় বাড়তি ভাড়া বা যানজটের বিড়ম্বনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকে। টিকিট সংকট এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি মাথায় নিয়ে বাড়ি ফেরা মানুষগুলো প্রিয়জনদের সান্নিধ্য পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

অন্যদিকে, ট্রেন স্টেশনে মানুষের প্রচণ্ড ভিড় থাকলেও বাস টার্মিনালগুলোর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখনো সরকারিভাবে ছুটি শুরু না হওয়ায় দূরপাল্লার বাসগুলোতে যাত্রীদের তেমন চাপ লক্ষ্য করা যায়নি। তবে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সূচি মেনেই প্রতিটি বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাচ্ছে দূরপাল্লার যান। ঢাকা থেকে বের হওয়ার প্রধান সড়কগুলোতেও এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%