রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে প্রথম দুই মৌসুমে কোনো শিরোপা জিততে না পারলেও ব্যালন ডি'অর জয়ের স্বপ্ন ছাড়েননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। স্পেনের কাছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিদায় এবং ক্লাব ফুটবলে ট্রফিহীন মৌসুম কাটানোর পরও নিজের পারফরম্যান্সের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যকে পুঁজি করেই তিনি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব অর্জনের লক্ষ্য স্থির করেছেন।
চলতি মৌসুমে এমবাপ্পে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৫টি এবং লা লিগায় ২৫টি গোল করেছেন। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের গোল সংখ্যা ২২-এ উন্নীত করে তিনি এখন এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। যদিও ফ্রান্সের বিশ্বকাপ যাত্রা সেমিফাইনালে ২-০ গোলের হারে শেষ হয়েছে, তবুও নিজের ব্যক্তিগত অর্জনকে অনন্য বলে মনে করছেন ২৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে নিজের দাবি জোরালো করতে গিয়ে এমবাপ্পে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর যুগের কথা স্মরণ করেছেন। তার মতে, এই পুরস্কারটি সাধারণ কোনো খেলোয়াড়ের জন্য নয়, বরং যারা মাঠে ভিন্ন কিছু করে দেখান তাদের জন্যই এটি নির্ধারিত। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, বড় বড় প্রতিযোগিতায় গোল করার সক্ষমতা এবং বিশ্বকাপের রেকর্ড তাকে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এমবাপ্পে জানান, লিওনেল মেসির মতো কিংবদন্তির রেকর্ড ভাঙা তার জন্য বিশেষ কিছু। তার মতে, ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের রেকর্ড নিজের দখলে নেওয়াটা এক অসাধারণ প্রাপ্তি। এই অর্জন তাকে ব্যালন ডি'অর জয়ের ক্ষেত্রে অন্যদের চেয়ে আলাদা অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ফ্রান্সের নতুন কোচ জিনেদিন জিদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এমবাপ্পে। জিদানকে ফরাসি ফুটবলের কিংবদন্তি এবং মার্জিত ব্যক্তিত্বের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, জিদান ফরাসি দলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় নাম। নতুন কোচের অধীনে ফ্রান্স দল ভবিষ্যতে আরও সাফল্য পাবে এবং জিদানের অভিজ্ঞতা খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।