নুরুল ইসলাম, সায়মন ইসলাম, নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন। এদের মধ্যে নুরুল ইসলাম ও সায়মন ইসলাম রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত থাকলেও নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার ও তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বর্ষিজোড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সামনেই কলেজছাত্র রেজাউল করিম নাঈমকে উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই মর্মান্তিক হত্যাকাğের ঘটনায় নিহতের বাবা চেরাগ মিয়া বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ নিবিড় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নাঈমের পরিবার ও বাদীপক্ষ। তারা দ্রুত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতের রায় কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন যে তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
মামলার রায় ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী জানান, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও দীর্ঘ আইনি পর্যালোচনার পরই আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই রায় দিয়েছেন।