কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে চরমোনাই পীরের অনুষ্ঠানে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অনুমতি ছাড়াই আয়োজনের ঘোষণা ছাত্র আন্দোলনের

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমায় প্রধান অতিথি হিসেবে শায়খে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রক্টোরিয়াল বডি এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার তথ্য, গবেষণা ও প্রচার সম্পাদক গাজী শাওন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। এতে দাবি করা হয়, নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রশাসনের অনুমতি চাওয়া হলেও প্রক্টর তা নাকচ করে দিয়েছেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, অনুমতি না পাওয়া গেলেও আগামী ২৫ জুলাই পূর্বনির্ধারিত এই দোয়া ও ইজতেমা কর্মসূচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে যেকোনো মূল্যে পালন করা হবে।

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, বরং জুলাইয়ের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত একটি ধর্মীয় ও নৈতিকতামূলক অনুষ্ঠান। অতীতে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালিত হলেও কেবল এই অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রশাসনের এমন বাধা প্রদানকে তারা বৈষম্যমূলক ও শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় অধিকার খর্ব করার শামিল বলে অভিহিত করেছেন। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আবছার উদ্দীন ইফতি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, লিখিত অনুমতি না মিললেও তারা পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থেকে সরে আসবেন না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম জানান, শায়খে চরমোনাইয়ের মতো একজন বিশিষ্ট আলেম ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নিরাপত্তার ঝুঁকি মোকাবিলা করা প্রক্টোরিয়াল বডির পক্ষে সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে অন্য কোনো রাজনৈতিক সংগঠন অনুষ্ঠানের অনুমতি না নিলেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নিয়ম মেনে আবেদন করেছিল, তাই প্রক্টোরিয়াল বডি সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%