ব্রিজারটন সিরিজের অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে অস্বস্তিতে রুথ জেমেল

নেটফ্লিক্সের গ্ল্যামারাস ও রোমান্টিক সিরিজ ‘ব্রিজারটন’ বরাবরি দর্শকদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয়। সিরিজের প্রতিটি পরতে থাকা অন্তরঙ্গ দৃশ্যায়ন ও নান্দনিক চিত্রনাট্য নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। তবে এবার সিরিজের অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘ভায়োলেট ব্রিজারটন’ রূপদানকারী ৫৮ বছর বয়সী অভিজ্ঞ অভিনেত্রী রুথ জেমেল তুলে ধরলেন এক চমকপ্রদ ও সংবেদনশীল অভিজ্ঞতার কথা। ফরাসি সাময়িকী ‘সিমে-তেলে-রেভ্যু’-তে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চতুর্থ মৌসুমে তার চরিত্রের জন্য নির্ধারিত একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কথা তিনি আগে ঘুণাক্ষরেও জানতেন না।
ঘটনার সূত্রপাত পোশাকের মাপ নেওয়ার সময়। রুথ জানান, পোশাকের ফিটিং করতে গিয়েই তিনি আকস্মিক বুঝতে পারেন, যে বিশেষ পোশাকটি তার জন্য তৈরি করা হচ্ছে, তা একটি অন্তরঙ্গ দৃশ্যের জন্য। এই অনাকাঙ্ক্ষিত তথ্য তাকে মানসিকভাবে বেশ নাড়িয়ে দিয়েছিল। অভিনেত্রী অকপটে স্বীকার করেছেন, সেদিন কাজ শেষে বাড়ি ফিরে তিনি আবেগ ধরে রাখতে পারেননি এবং কেঁদে ফেলেছিলেন।
চতুর্থ মৌসুমে রুথ অভিনীত ভায়োলেটের বিপরীতে দেখা যাবে লর্ড মার্কাস অ্যান্ডারসন চরিত্রের অভিনেতা ড্যানিয়েল ফ্রান্সিসকে। দীর্ঘকাল আগে স্বামী হারানো ভায়োলেটের জীবনে নতুন এই সম্পর্কের উন্মেষ সিরিজের অন্যতম মূল আকর্ষণ। শুরুতে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়লেও, দৃশ্যটি ধারণের পর রুথ স্বস্তি খুঁজে পান। তিনি জানান, নির্মাতারা দৃশ্যটিকে অত্যন্ত রুচিশীল ও সংযতভাবে উপস্থাপন করেছেন। সিরিজের তরুণ চরিত্রগুলোর মতো অতিমাত্রায় উত্তেজনার আশ্রয় না নিয়ে, অল্প আলো ও শৈল্পিক ভঙ্গিমায় দৃশ্যটি সম্পন্ন করা হয়েছে, যা তার চরিত্রের সঙ্গে মানানসই ছিল।
অভিনেত্রী মনে করেন, ভায়োলেটের জীবনের এই নতুন অধ্যায় তুলে ধরা ছিল অত্যন্ত জরুরি। তার মতে, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর মানুষের জীবন বা ভালোবাসার স্পন্দন থমকে যায় না। যৌবনের প্রথম প্রেমের মতোই পরিণত বয়সের এই প্রেমগাথা অনেক বেশি অর্থবহ। শোক ও অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়া একজন মানুষের নতুন করে ভালোবাসা খুঁজে পাওয়ার এই যাত্রার সঙ্গে বিশ্বের অসংখ্য মানুষ নিজেদের আবেগ ও অনুভূতির সংযোগ খুঁজে পাবেন বলেই দৃঢ় বিশ্বাস রুথ জেমেলের।