AdvertisementAdvertisement

রামগতিতে পর্যটকদের ওপর লঞ্চ কর্মীদের হামলা, আহত ৫

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদীতে পর্যটকবাহী একটি লঞ্চে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত শনিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার আলেকজান্ডার মেঘনা তীরবর্তী এলাকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে লঞ্চের স্টাফদের মারধরে পাঁচ পর্যটক আহত হয়েছেন। ঈদুল আজহা উপলক্ষে নোয়াখালীর আন্ডারচর ইউনিয়নের বুদ্ধিনগর থেকে আসা ওই পর্যটকরা নৌভ্রমণে গিয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হন।

আহত পর্যটক রুবেল জানান, জাফরের মালিকানাধীন ওই লঞ্চটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়েছিল। নদীর মাঝপথে কোস্টগার্ড আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে লঞ্চের স্টাফ জাফর ও তার সহযোগীরা যাত্রীদের দ্রুত নীচতলায় নেমে ভাড়া পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। এ নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে স্টাফরা পর্যটকদের ওপর চড়াও হন এবং বেধড়ক মারধর করেন। হামলায় রেদওয়ান হোসেন ইমরান, রুবেল, ফাহিম, সাকিব ও মন্জুর হোসেন আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত জাফর স্থানীয় শিক্ষাগ্রাম এলাকার বাসিন্দা।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, মেঘনা পাড়ে ঈদকে ঘিরে জাফর ও তার সিন্ডিকেট চক্রের বেপরোয়া বাণিজ্যের কারণে পর্যটকরা নিয়মিত জিম্মি অবস্থায় থাকছেন। এর আগের দিন শুক্রবারও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে তিন শতাধিক পর্যটককে নিয়ে একটি লঞ্চ মাঝনদীতে আটকা পড়েছিল। পরবর্তীতে পুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় তাদের উদ্ধার করা হয়। এমন ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও হামলার ঘটনায় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, অভিযুক্ত জাফর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে এটিকে সামান্য হাতাহাতি হিসেবে দাবি করেছেন। এ বিষয়ে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান জানান, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হাতাহাতির খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%