AdvertisementAdvertisement

তামিলনাড়ুর সরকারি স্কুলের মিড ডে মিলের মেনুতে চিকেন বিরিয়ানি অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব

তামিলনাড়ুর সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যাহ্নভোজনের মেনুতে এবার যোগ হতে পারে চিকেন বিরিয়ানি। ভারতের তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের সরকারের উদ্যোগে রাজ্যের স্কুলগুলোতে সপ্তাহে অন্তত একদিন পুষ্টিকর খাবারের অংশ হিসেবে বিশেষ এই পদ চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী রাজমোহন আনুষ্ঠানিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের কাছে এই প্রস্তাব পেশ করেছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

রাজমন্ত্রী রাজমোহন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তামিলনাড়ুর দীর্ঘদিনের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৫০-এর দশকে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কে. কামরাজ প্রথম মধ্যাহ্নভোজন প্রকল্প চালু করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, পরবর্তী সময়ে কালৈজ্ঞর করুণানিধি তাতে ডিম যুক্ত করেন এবং এমজিআর এটিকে পুষ্টিকর আহার কর্মসূচিতে রূপান্তর করেন। জয়ললিতার শাসনকালে সপ্তাহে সব দিন ডিম বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যা শিক্ষার্থীদের পুষ্টিমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার খাবারের তালিকায় চিকেন বিরিয়ানি যুক্ত করার এই নতুন উদ্যোগের কথা ভাবছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

যদিও সরকারিভাবে বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে, তবে মুখ্যমন্ত্রীর বিবেচনায় থাকা এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে তা ভারতের স্কুল পুষ্টি কর্মসূচির ইতিহাসে একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। দীর্ঘ সময় ধরে তামিলনাড়ুকে স্কুলগুলোতে উন্নত পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রদূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নতুন এই উদ্যোগ অনুমোদিত হলে তা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজ্যটির মিড ডে মিল প্রকল্পের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবর্তন হিসেবে গণ্য হবে।

অন্যদিকে, মিড ডে মিলের মেনু নিয়ে পার্শ্ববর্তী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও চলছে নানা আলোচনা। শিক্ষার্থীদের পাতে ডিমের পরিবেশন নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশার প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেছেন যে, রাজ্যটিতে মিড ডে মিল থেকে ডিমের পদ বাদ দেওয়া হচ্ছে না। যেসব বিদ্যালয়ে খাদ্য সরবরাহের দায়িত্বে ইসকন রয়েছে, সেখানেও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদাভাবে ডিম পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%