AdvertisementAdvertisement

সাড়ে তিন দশকে ১৬ হাজার ৯৩ বিলিয়ন রুপি উদ্ধার করেছে ন্যাব

পাকিস্তানের জাতীয় জবাবদিহিতা ব্যুরো বা এনএবি ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়ে মোট ১৬ হাজার ৯৩ বিলিয়ন রুপি উদ্ধার করেছে। শুক্রবার আইন ও বিচার বিষয়ক সিনেট স্থায়ী কমিটির বৈঠকে ব্যুরোর কার্যকারিতা ও গত ৩৬ বছরের পরিসংখ্যান উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানানো হয়। সিনেটর ফারুক এইচ নায়েক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে এনএবি-র শীর্ষ কর্মকর্তারা সংস্থার সার্বিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত প্রতিবেদন তুলে ধরেন।

এনএবি-র মহাপরিচালকের তথ্যমতে, বিগত কয়েক দশকে সংস্থাটি ৫ লাখ ৫ হাজার ৭৯৯টি অভিযোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে ১ লাখ ২১ হাজার ১৪৭টি অনুসন্ধান সম্পন্ন হয়েছে এবং ৭ হাজার ৩৩৯টি তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে ৪ হাজার ১০৫টি মামলা বা রেফারেন্স দায়ের করেছে সংস্থাটি। গত সাড়ে পাঁচ বছরে এনএবি প্রায় ২২ দশমিক ৫ বিলিয়ন রুপি বাজেট বরাদ্দ পেয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

এনএবি-র চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, সীমিত আর্থিক সংস্থান থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রীয় কোষাগারে অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে সংস্থাটি শীর্ষস্থানে রয়েছে। তবে এনএবি-র মহাপরিচালক (অপারেশনস) জানান, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মামলার স্থানান্তরের কারণে বেশ কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া কোন মামলাগুলো তাদের এখতিয়ারভুক্ত, তা নির্ধারণ করতেও হিমশিম খেতে হয়েছে তাদের। বর্তমানে ৫০০ মিলিয়ন রুপির কম আত্মসাতের অভিযোগগুলো এনএবি সরাসরি গ্রহণ করে না বলেও বৈঠকে স্পষ্ট করা হয়।

সিনেট কমিটির চেয়ারম্যান ফারুক এইচ নায়েক ভুয়া অভিযোগ দায়েরের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগগুলো এনএবি-র ওপর জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে, তাই মিথ্যা অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বৈঠকে এনএবি-র চেয়ারম্যান দেশের জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের সংকটের দিকে ইঙ্গিত করে এক চাঞ্চল্যকর প্রস্তাবনা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তাকে মাত্র চার মাসের ম্যান্ডেট দেওয়া হলে এই বড় সংকটগুলোর সমাধান করা সম্ভব। তিনি ফেডারেল বোর্ড অব রেভিনিউ, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন অব পাকিস্তান এবং কম্পিটিশন কমিশন অব পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছেন। তার দাবি, পাকিস্তানের বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই জ্বালানি খাতের অস্থিরতা নিরসন করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ

0%
0%
0%
0%