AdvertisementAdvertisement

মাদার-ই-মিল্লাত ফাতেমা জিন্নাহর ৫৯তম প্রয়াণ দিবস আজ

মাদারে মিল্লাত বা জাতির জননী মোহতারমা ফাতিমা জিন্নাহর ৫৯তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করছে পুরো পাকিস্তান। অবিভক্ত ভারতের মুসলিম নারীদের একটি প্ল্যাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে ত্বরান্বিত করার পেছনে তার অসামান্য অবদান আজও কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছে জাতি।

১৯২৯ সালে স্ত্রী রতনবাঈয়ের অকাল মৃত্যুর পর শোকাভিভূত মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন তার বোন ফাতিমা জিন্নাহ। ভাইয়ের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে ছায়ার মতো থেকে তিনি উপমহাদেশের মুসলিম নারীদের সংগঠিত করেন, যা দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পৃথক রাষ্ট্র গঠনের পথকে সুগম করেছিল।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

দেশভাগের পর ১৯৪৭ সালে তিনি গঠন করেছিলেন ‘উইমেন্স রিলিফ কমিটি’, যা পরবর্তীকালে ‘অল পাকিস্তান উইমেন্স অ্যাসোসিয়েশন’ বা আপওয়া (এপিডব্লিউএ) হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। নবগঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রে মুহাজিরদের পুনর্বাসন ও তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

মুক্তি আন্দোলনে অসাধারণ নেতৃত্বের কারণে তিনি দেশবাসীর কাছে ‘মাদারে মিল্লাত’ উপাধিতে ভূষিত হন। বয়সের ভার উপেক্ষা করে ৭১ বছর বয়সে তিনি ১৯৬৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সামরিক প্রশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রাজনৈতিক সাহসিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

১৮৯৩ সালের ৩১ জুলাই করাচিতে জন্মগ্রহণ করা এই মহীয়সী নারী ১৯৬৭ সালের ৯ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। নাগরিক অধিকার ও পাকিস্তান আন্দোলনের পক্ষে তার আপসহীন সংগ্রাম এবং আজীবন আত্মত্যাগ তাকে ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।

তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ

0%
0%
0%
0%