AdvertisementAdvertisement

ইংলিশ চ্যানেলে অগ্নিকাণ্ডের পর দেড় শতাধিক অভিবাসী উদ্ধার

ইংলিশ চ্যানেলে অগ্নিকাণ্ডের শিকার একটি নৌকা থেকে দেড় শতাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ফ্রান্সের বুলন-সুর-মের বন্দরের কাছে এ উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বিপজ্জনক এই যাত্রায় নৌকাটিতে ১৫৭ জন আরোহী ছিলেন, যাদের মধ্যে অনেকে প্রাণ বাঁচাতে সমুদ্রে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের যৌথ প্রচেষ্টায় এই উদ্ধার অভিযান সম্পন্ন হয়।

ফরাসি মেরিটাইম প্রিফেকচারের ভাষ্যমতে, মঙ্গলবার গভীর রাতে নৌকাটির পাঁচজন যাত্রী সাহায্যের আবেদন করলে তাদের উদ্ধার করা হয়েছিল। বাকিরা সে সময় সাহায্য নিতে অস্বীকার করে যাত্রা অব্যাহত রাখেন। পরবর্তীতে নৌকার ইঞ্জিনে আগুন ধরে গেলে বাকিদের উদ্ধারে বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব নেওয়ার গত দুই সপ্তাহে দুই হাজারের বেশি মানুষ ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। দেশটিতে অভিবাসন ইস্যুটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বার্নহ্যাম সরকার ছোট নৌকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের অঙ্গীকার করেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী, দেশটিতে আশ্রয়ের আবেদন করতে হলে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। তবে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, বর্তমান নিয়মের কারণে বিদেশ থেকে আশ্রয়ের আবেদন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। যদিও ১৯৫১ সালের জাতিসংঘ শরণার্থী কনভেনশন অনুযায়ী, নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষার অধিকার স্বীকৃত এবং অনেক ক্ষেত্রে তাদের অনিরাপদ পথ বেছে নিতে হয়।

এদিকে, এই ঘটনার পর রিফর্ম ইউকে পার্টির নেতা নাইজেল ফারাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, অবিলম্বে এই অনুপ্রবেশ বন্ধ করা প্রয়োজন এবং তাদের দল ক্ষমতায় গেলে এ বিষয়ে কঠোর নীতি গ্রহণ করবে। ২০২৯ সালের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হলে রিফর্ম ইউকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বসবাসের অনুমতি বাতিল করার মতো কঠোর প্রতিশ্রুতিও প্রদান করেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

0%
0%
0%
0%