Infinix Smart 7

Price: 10,499 Official
3GB/64GB ৳9,999
4GB/64GB ৳10,499

General & Launch

Model Smart 7
Status Available
Release Date February 2023
Warranty Official Warranty
Made In Bangladesh

Network

Network 4G
SIM Polar Black, Coastal Green

Body

Dimensions 163.8 x 75.6 x 8.7 mm
Weight 188g
Build Plastic body
Colors IPS LCD, 6.6 inches

Display

Type & Size 720 x 1612 pixels
Resolution Glass front
Refresh Rate Android 12
Protection 60Hz

Platform

OS Unisoc SC9863A1
Chipset Octa-core
CPU Octa-core
GPU IMG8322

Memory

RAM 3GB / 4GB
Storage 64GB
Card Slot Yes

Camera

Main Camera 13 MP + AI Lens
Features Dual-LED flash
Video 1080p@30fps
Selfie Camera 5 MP
Selfie Video 720p@30fps

Sound

Loudspeaker Yes
3.5mm Jack Yes

Connectivity

WLAN Dual-band
Bluetooth 5.0
GPS Yes
NFC No
Radio Yes
USB microUSB 2.0

Battery

Capacity Li-Po 5000 mAh
Charging 10W wired

Features

Sensors Fingerprint (rear)
Infinix Smart 7 সুবিধা
  • ৫০০০ এমএএইচ এর শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যাকআপ।
  • আকর্ষণীয় ৩ডি টেক্সচার্ড ডিজাইন ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কোটিং।
  • ৩/৪ জিবি র‍্যামের সাথে ভার্চুয়াল র‍্যাম বাড়ানোর সুবিধা।
  • বড় এবং উজ্জ্বল ৬.৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে।
  • পেছনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ও ফেস আনলক সুবিধা।
  • সেলফি ক্যামেরার সাথে ডুয়েল ফ্ল্যাশলাইট।
Infinix Smart 7 অসুবিধা
  • চার্জিং পোর্ট মাইক্রো ইউএসবি (টাইপ-সি নেই)।
  • চার্জিং গতি অনেক ধীর (১০ ওয়াট)।
  • গেমিং বা ভারি কাজের জন্য প্রসেসরটি দুর্বল।
  • ডিসপ্লের নিচের বেজেল বা চিন বেশ মোটা।
  • প্রচুর অপ্রয়োজনীয় প্রি-ইনস্টল অ্যাপ (Bloatware)।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

Infinix Smart 7 market price in Bangladesh is ১০,৪৯৯ টাকা । বাংলাদেশের এন্ট্রি লেভেল বা বাজেট স্মার্টফোনের বাজারে ইনফিনিক্স বরাবরই একটি শক্তিশালী নাম। বিশেষ করে ১০-১২ হাজার টাকা বাজেটের মধ্যে যারা ভালো ব্যাটারি, বড় ডিসপ্লে এবং স্টাইলিশ ডিজাইনের ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্যই মূলত Infinix Smart 7 বাজারে ছাড়া হয়েছে। এটি ইনফিনিক্সের স্মার্ট সিরিজের ৭ম সংস্করণ, যেখানে আগের স্মার্ট ৬ সিরিজের তুলনায় ডিজাইনে এবং র‍্যাম ব্যবস্থাপনায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। আজকের এই রিভিউতে আমরা এই ডিভাইসটির ডিজাইন, বিল্ড কোয়ালিটি, ডিসপ্লে, পারফর্মেন্স এবং ক্যামেরার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

Advertisement

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Infinix Smart 7 এর ডিজাইনটি এই বাজেটের অন্যান্য ফোনের তুলনায় বেশ আলাদা এবং আকর্ষণীয়। ইনফিনিক্স এই ডিজাইনের নাম দিয়েছে “৩ডি টেক্সচার্ড ডিজাইন”। পেছনের প্যানেলে ঢেউয়ের মতো টেক্সচার রয়েছে, যা আলোর প্রতিফলনে খুব সুন্দর দেখায়। এই টেক্সচার্ড ফিনিশের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে সহজে আঙুলের ছাপ পড়ে না এবং হাত থেকে ফোনটি পিছলে যাওয়ার ভয় থাকে না। ইনফিনিক্স দাবি করে যে, এই ফোনের পেছনের অংশে সিলভার আয়ন অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কোটিং ব্যবহার করা হয়েছে, যা ৯৯ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

স্বাস্থ্য সচেতন ব্যবহারকারীদের জন্য এটি একটি বাড়তি সুবিধা। ক্যামেরা মডিউলটি বেশ বড় এবং স্কয়ার শেপের, যেখানে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি ক্যামেরার সাথেই ইন্টিগ্রেটেড করা হয়েছে। এটি দেখতে বেশ আধুনিক লাগে এবং ফোনের পেছনের অংশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে। ফোনটির বডি এবং ফ্রেম প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এটি বেশ শক্তপোক্ত মনে হয়। ডান পাশে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার রয়েছে। বাম পাশে সিম ট্রে এবং নিচের অংশে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, স্পিকার গ্রিল এবং ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক অবস্থান করছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ডিসপ্লে ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৬ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি প্যানেল। এটি একটি এইচডি প্লাস (৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল) রেজোলিউশনের ডিসপ্লে। এই বাজেটে সাধারণত ফুল এইচডি ডিসপ্লে পাওয়া যায় না, তাই এইচডি প্লাস রেজোলিউশন মেনে নেওয়া যায়। ডিসপ্লের কালার রিপ্রোডাকশন এবং স্যাচুরেশন সাধারণ মানের। ভিডিও দেখার সময় কালারগুলো মোটামুটি ভালোই দেখায়, তবে খুব বেশি শার্পনেস আশা করা ঠিক হবে না। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস ৫০০ নিটস, যা ইনডোর ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট উজ্জ্বল। তবে কড়া রোদে বা আউটডোরে ডিসপ্লে দেখতে কিছুটা বেগ পেতে হতে পারে। ডিসপ্লের ওপরের দিকে ওয়াটার ড্রপ নচ রয়েছে, যা এখনকার পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লের যুগে কিছুটা পুরনো মনে হতে পারে। তবে বেজেলগুলো মোটামুটি সরু হওয়ায় কন্টেন্ট দেখার অভিজ্ঞতা ভালো থাকে, যদিও নিচের চিবুক বা চিন অংশটি কিছুটা চওড়া।

পারফর্মেন্স ও হার্ডওয়্যার Infinix Smart 7 এর পারফর্মেন্স বিভাগে মিশ্র অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। এতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে ইউনিসক এসসি৯৮৬৩এ১ (Unisoc SC9863A1) অথবা মিডিয়াটেক হেলিও এ২২ (অঞ্চলভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে বাংলাদেশে সাধারণত ইউনিসক ভেরিয়েন্টটি বেশি দেখা যায়)। এটি একটি এন্ট্রি লেভেল অক্টা-কোর প্রসেসর। এই প্রসেসরটি ভারি কাজের জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়।

সাধারণ কাজ যেমন—ফেসবুক ব্রাউজিং, ইউটিউব স্ট্রিমিং, টিকটক দেখা বা সাধারণ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য এটি ঠিক আছে। ফোনটিতে ৩ জিবি বা ৪ জিবি র‍্যামের অপশন রয়েছে। ইনফিনিক্সের মেমোরি ফিউশন প্রযুক্তির মাধ্যমে র‍্যাম আরও ৩ জিবি পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া যায়, অর্থাৎ ৪ জিবি র‍্যামের মডেলে আপনি ভার্চুয়ালি ৭ জিবি পর্যন্ত র‍্যামের সুবিধা পেতে পারেন। এই বাড়তি র‍্যাম মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় অ্যাপ রিলোড হওয়া কিছুটা কমায়। তবে গেমিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফোনটি আপনাকে হতাশ করতে পারে। ফ্রি ফায়ার বা পাবজির মতো গেমগুলো লো সেটিংসে খেলা সম্ভব হলেও ল্যাগ এবং ফ্রেম ড্রপ দেখা যাবে। সাবওয়ে সার্ফার বা লুডুর মতো ছোট গেমগুলো এতে ভালোভাবেই চলে।

সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১২ অপারেটিং সিস্টেমে চলে এবং এর ওপর ইনফিনিক্সের নিজস্ব এক্সওএস ১২ (XOS 12) ইন্টারফেস দেওয়া হয়েছে। এক্সওএস ইন্টারফেসে প্রচুর কাস্টমাইজেশন ফিচার রয়েছে। থিম, ওয়ালপেপার এবং আইকন প্যাক পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও কিডস মোড, গেম মোড এবং সোশ্যাল টার্বোর মতো কিছু কাজের ফিচার রয়েছে। তবে ইনফিনিক্সের ফোনে প্রচুর প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ বা ব্লোটওয়্যার থাকে, যা মাঝেমধ্যে বিরক্তিকর নোটিফিকেশন পাঠাতে পারে। যদিও কিছু অ্যাপ আনইনস্টল বা ডিসএবল করার সুযোগ রয়েছে। সাধারণ ব্যবহারে ইন্টারফেসটি মোটামুটি স্মুথ, তবে খুব দ্রুত অ্যাপ ওপেন বা ক্লোজ করতে গেলে সামান্য দেরি হতে পারে।

ক্যামেরা সেকশন Infinix Smart 7 এর পেছনে ডুয়েল ক্যামেরা সেটআপ রয়েছে। প্রধান ক্যামেরাটি ১৩ মেগাপিক্সেলের এবং সাথে একটি এআই লেন্স রয়েছে। দিনের পর্যাপ্ত আলোতে প্রধান ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো দাম অনুযায়ী বেশ ভালো। ছবির কালার এবং ডিটেইলস সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো। এইচডিআর মোড থাকায় হাই কন্ট্রাস্ট সিনারিওতে ছবির ডাইনামিক রেঞ্জ কিছুটা ভালো পাওয়া যায়। তবে জুম করলে ছবির মান কমে যায়।

এআই লেন্সটি মূলত পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করতে সাহায্য করে, তবে এর কার্যকারিতা খুব একটা বোঝা যায় না। কম আলোতে বা রাতে ছবি তোলার সময় ক্যামেরার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছবিতে প্রচুর নয়েজ থাকে এবং ডিটেইলস হারিয়ে যায়। নাইট মোড ব্যবহার করলে ছবি কিছুটা উজ্জ্বল হয়। সেলফি তোলার জন্য সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। সামনে ডুয়েল ফ্ল্যাশলাইট থাকার কারণে অন্ধকারেও মোটামুটি ভালো সেলফি তোলা সম্ভব। ভিডিও কলের জন্য সামনের ক্যামেরাটি ঠিক আছে, তবে ভ্লগিং বা উচ্চমানের সেলফির জন্য এটি উপযুক্ত নয়।

ব্যাটারি ও চার্জিং এই ফোনের সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো এর ব্যাটারি। এতে ৫০০০ এমএএইচ এর বিশাল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। কম রেজোলিউশনের ডিসপ্লে এবং সাধারণ মানের প্রসেসর হওয়ার কারণে ব্যাটারি খরচ খুবই কম। সাধারণ ব্যবহারে আপনি অনায়াসেই দেড় থেকে দুই দিন ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন। যারা খুব বেশি ফোন ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রেও এক দিন পার হয়ে যাবে। তবে চার্জিং স্পিড নিয়ে কিছুটা অভিযোগ থাকতে পারে। বক্সে ১০ ওয়াটের চার্জার দেওয়া হয়েছে এবং চার্জিং পোর্টটি মাইক্রো ইউএসবি। শূন্য থেকে ১০০ শতাংশ চার্জ হতে প্রায় তিন ঘণ্টার কাছাকাছি সময় লাগে। টাইপ-সি পোর্ট না থাকাটা এই সময়ে এসে একটি বড় মাইনাস পয়েন্ট।

নিরাপত্তা ও অন্যান্য নিরাপত্তার জন্য ফোনের পেছনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে। সেন্সরটি ক্যামেরার মডিউলের ভেতরে থাকায় প্রথমে খুঁজে পেতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে, তবে এটি বেশ ফাস্ট এবং একুরেট। এছাড়াও ফেস আনলক সুবিধা রয়েছে যা দিনের আলোতে ভালো কাজ করে। কানেক্টিভিটির জন্য এতে ডুয়েল সিম ৪জি, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং জিপিএস সুবিধা রয়েছে। লাউডস্পিকারের সাউন্ড মোটামুটি জোরালো, তবে বেস কম। ৩.৫ মিমি জ্যাক থাকায় আপনি যেকোনো সাধারণ ইয়ারফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

যারা ১০-১১ হাজার টাকা বাজেটে একটি সুন্দর দেখতে এবং ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপের ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য Infinix Smart 7 একটি ভালো অপশন হতে পারে। এটি গেমিং বা ভারি কাজের জন্য নয়, বরং দৈনন্দিন সাধারণ ব্যবহারের জন্য তৈরি। বিশেষ করে শিক্ষার্থী বা বয়স্কদের জন্য অথবা যারা একটি শক্তপোক্ত সেকেন্ডারি ফোন চান, তাদের চাহিদা এটি পূরণ করতে সক্ষম। র‍্যাম বাড়ানোর সুবিধা এবং বড় ডিসপ্লে একে মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের জন্য উপযোগী করে তুলেছে।

Infinix Smart 7 আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement