Infinix Hot 8

Price: 10,990 Official
4GB/64GB ৳10,990

General & Launch

Model Infinix Hot 8
Status Discontinued
Release Date September 2019
Warranty Official Warranty
Made In China

Network

Network 4G
SIM Dual SIM

Body

Dimensions 165 x 76.3 x 8.7 mm
Weight 179g
Build Plastic body
Colors Quetzal Cyan, Cosmic Purple

Display

Type & Size IPS LCD, 6.52 inches
Resolution 720 x 1600 pixels
Refresh Rate 60Hz
Protection Glass front

Platform

OS Android 9.0 (Pie)
Chipset Mediatek Helio P22
CPU Octa-core
GPU PowerVR GE8320

Memory

RAM 2GB / 4GB
Storage 32GB / 64GB
Card Slot Yes

Camera

Main Camera 13 MP + 2 MP
Features Quad-LED flash
Video 1080p@30fps
Selfie Camera 8 MP
Selfie Video 1080p@30fps

Sound

Loudspeaker Yes
3.5mm Jack Yes

Connectivity

WLAN Wi-Fi 802.11
Bluetooth 5.0
GPS Yes
NFC No
Radio Yes
USB microUSB 2.0

Battery

Capacity Li-Po 5000 mAh
Charging 10W wired

Features

Sensors Fingerprint (rear)
Infinix Hot 8 সুবিধা
  • ৫০০০ এমএএইচ বিশাল ব্যাটারি ও দীর্ঘ ব্যাকআপ।
  • বড় ৬.৫২ ইঞ্চি এইচডি প্লাস ডিসপ্লে।
  • ৪ জিবি র‍্যাম ভেরিয়েন্টে ভালো মাল্টিটাস্কিং।
  • আকর্ষণীয় গ্রেডিয়েন্ট কালার ডিজাইন।
  • ফ্রন্ট ফ্ল্যাশলাইট সেলফির জন্য।
  • ডেডিকেটেড মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট।
Infinix Hot 8 অসুবিধা
  • চার্জিং গতি খুব ধীর (১০ ওয়াট)।
  • মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট (পুরাতন প্রযুক্তি)।
  • সফটওয়্যারে প্রচুর ব্লোটওয়্যার ও বিজ্ঞাপন।
  • গেমিং পারফর্মেন্স সাধারণ মানের।
  • ডিসপ্লের রেজোলিউশন ৭২০পি (ফুল এইচডি নয়)।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

Infinix Hot 8 market price in Bangladesh is ১০,৯৯০ টাকা (সর্বশেষ অফিসিয়াল প্রাইস ৪/৬৪ জিবি)। ইনফিনিক্সের হট সিরিজ বরাবরই বাজেটের মধ্যে বড় ব্যাটারি এবং বড় ডিসপ্লের জন্য পরিচিত। ২০১৯ সালের শেষের দিকে বাজারে আসা ইনফিনিক্স হট ৮ সেই সময়ের অন্যতম আলোচিত স্মার্টফোন ছিল। বিশেষ করে ১১ হাজার টাকার নিচে ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সংমিশ্রণ ওই সময়ে খুব একটা দেখা যেত না।

Advertisement

যদিও ফোনটি এখন কিছুটা পুরনো মডেলের তালিকায় পড়ে, তবুও সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে বা বাজেট ব্যবহারকারীদের কাছে এর আবেদন এখনো পুরোপুরি ফুরিয়ে যায়নি। আজকের এই রিভিউতে আমরা দেখব দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারে এই ফোনটি কেমন পারফর্মেন্স দিতে সক্ষম এবং বর্তমান সময়ের অ্যাপ ও গেমগুলোর সাথে এটি কতটা মানিয়ে নিতে পারে।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি ইনফিনিক্স হট ৮ এর ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ সেই সময়ের ট্রেন্ড অনুযায়ী বেশ আধুনিক ছিল। ফোনটির পেছনের অংশে পলিকার্বোনেট বা প্লাস্টিক বডি ব্যবহার করা হলেও এর ওপর একটি গ্লসি বা কাঁচের মতো ফিনিশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে “কোয়েটজাল সায়ান” এবং “কসমিক পার্পল” কালার গ্রেডিয়েন্টগুলো আলোতে খুব সুন্দরভাবে রং পরিবর্তন করে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ফোনটির পেছনের অংশে ওপরের বাম কোণায় লম্বালম্বিভাবে তিনটি ক্যামেরা এবং একটি কোয়াড এলইডি ফ্ল্যাশ স্থাপন করা হয়েছে। এর ঠিক পাশেই রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। সেন্সরটির অবস্থান এমন জায়গায় যা এক হাতে ফোন ধরার সময় সহজেই আঙুলের নাগালে আসে। সামনের দিকে তাকালে দেখা যায় ওয়াটার ড্রপ নচ ডিসপ্লে, যা ওই সময়ে ইনফিনিক্সের জন্য একটি বড় আপগ্রেড ছিল।

ফোনটির ওজন ১৭৯ গ্রাম, যা ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি থাকার পরেও খুব বেশি ভারি মনে হয় না। ৮.৭ মিলিমিটার পুরুত্বের কারণে এটি হাতে ধরলে বেশ স্লিম এবং কমপ্যাক্ট অনুভব হয়। ডান পাশে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার বাটনগুলো বেশ ট্যাকটাইল এবং রেসপন্সিভ। বাম পাশে রয়েছে সিম ট্রে, যেখানে দুটি ন্যানো সিম এবং একটি মাইক্রো এসডি কার্ড একসাথে ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। নিচের অংশে রয়েছে মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট, ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং স্পিকার গ্রিল। সব মিলিয়ে প্লাস্টিক বডি হলেও এর বিল্ড কোয়ালিটি বেশ মজবুত এবং প্রিমিয়াম লুক দেয়।

ডিসপ্লে ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৫২ ইঞ্চির একটি আইপিএস এলসিডি প্যানেল। এই বিশাল ডিসপ্লের রেজোলিউশন হলো এইচডি প্লাস বা ৭২০ x ১৬০০ পিক্সেল। ২০:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিও এবং ৮১.৫% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও থাকার কারণে ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় ডিসপ্লেটি বেশ বড় এবং ইমারসিভ মনে হয়। যদিও এটি ফুল এইচডি ডিসপ্লে নয়, তবুও ৭২০পি রেজোলিউশনে ইউটিউব ভিডিও বা নেটফ্লিক্স স্ট্রিমিংয়ের অভিজ্ঞতা খারাপ নয়।

ডিসপ্লের কালার রিপ্রোডাকশন এবং কন্ট্রাস্টিং লেভেল এই বাজেটের ফোন হিসেবে সন্তোষজনক। তবে পিক্সেল ডেনসিটি ২৬৯ পিপিআই হওয়ার কারণে খুব কাছ থেকে দেখলে টেক্সট বা আইকনগুলো সামান্য ফেটে যাওয়া বা ব্লারি মনে হতে পারে। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস ৪৫০ নিটসের মতো, যা ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত। তবে সরাসরি সূর্যের আলোতে বা কড়া রোদে ডিসপ্লে দেখতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে। চোখের সুরক্ষার জন্য এতে “আই কেয়ার” মোড রয়েছে যা নীল আলো কমিয়ে দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে চোখের চাপ কমায়।

পারফর্মেন্স ও হার্ডওয়্যার Infinix Hot 8 দুটি ভিন্ন ভেরিয়েন্টে বাজারে এসেছিল এবং দুটির প্রসেসরও ভিন্ন। ২ জিবি র‍্যামের ভেরিয়েন্টটিতে ছিল মিডিয়াটেক হেলিও এ২২ চিপসেট, যা পারফর্মেন্সের দিক থেকে বেশ দুর্বল। অন্যদিকে ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজের ভেরিয়েন্টটিতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও পি২২ (Helio P22) চিপসেট। এটি একটি ১২ ন্যানোমিটার অক্টা-কোর প্রসেসর। দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য পি২২ চিপসেটটি বেশ নির্ভরযোগ্য।

সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিং, মাল্টিটাস্কিং এবং সাধারণ অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ৪ জিবি র‍্যামের ভেরিয়েন্টটি বেশ ভালো পারফর্ম করে। তবে ২ জিবি ভেরিয়েন্টটি বর্তমান সময়ের অ্যাপগুলোর চাপে কিছুটা ল্যাগ করতে পারে। গেমিংয়ের ক্ষেত্রে, পাবজি মোবাইল বা কল অফ ডিউটির মতো গেমগুলো লো বা ব্যালেন্সড সেটিংসে খেলা সম্ভব।

স্মুথ গেমপ্লে পাওয়ার জন্য গ্রাফিক্স সেটিংস কমিয়ে রাখা ভালো। তবে সাবওয়ে সার্ফার, টেম্পল রান বা ক্যান্ডি ক্রাশের মতো ক্যাজুয়াল গেমগুলো এতে মাখনের মতো চলে। ফোনটি একটানা গেম খেললে বা ভারী কাজ করলে ক্যামেরা মডিউলের আশেপাশে কিছুটা গরম হতে পারে, তবে তা খুব একটা অসহনীয় পর্যায়ে যায় না।

সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ৯.০ পাই (Pie) অপারেটিং সিস্টেমে লঞ্চ হয়েছিল, যার ওপর ইনফিনিক্সের নিজস্ব এক্সওএস ৫.০ (XOS 5.0) চিতা ইন্টারফেসে চলে। এক্সওএস ইন্টারফেসে প্রচুর কাস্টমাইজেশন ফিচার রয়েছে। যেমন—স্মার্ট প্যানেল, গেম মোড, বাইক মোড এবং বিভিন্ন জেশ্চার কন্ট্রোল।

তবে ইনফিনিক্সের সফটওয়্যারের অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো ব্লোটওয়্যার বা প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ। ফোনটি চালু করার সাথে সাথেই অনেকগুলো অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ দেখা যায় যা মাঝেমধ্যে বিরক্তিকর বিজ্ঞাপন বা নোটিফিকেশন পাঠায়। যদিও এর মধ্যে কিছু অ্যাপ আনইনস্টল করা যায় এবং নোটিফিকেশন বন্ধ করা যায়। সফটওয়্যারটি বেশ কালারফুল এবং এতে থিম স্টোর থেকে বিভিন্ন থিম ডাউনলোড করে ফোনের লুক পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে।

ক্যামেরা সেকশন বাজেট ফোন হিসেবে ইনফিনিক্স হট ৮ এর ক্যামেরা পারফর্মেন্স মিশ্র। পেছনে রয়েছে তিনটি ক্যামেরা—১৩ মেগাপিক্সেলের প্রধান সেন্সর, ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেন্সর এবং একটি কিউভিজিএ (QVGA) লো লাইট সেন্সর। দিনের পর্যাপ্ত আলোতে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো বেশ ভালো হয়। ছবির ডিটেইলস এবং কালার স্যাচুরেশন সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো।

এইচডিআর মোড অন থাকলে ডাইনামিক রেঞ্জ কিছুটা ইমপ্রুভ হয়। তবে জুম করলে ছবিতে নয়েজ দেখা যায়। ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেন্সরটি পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করতে সাহায্য করে, এবং এর এজ ডিটেকশন বা প্রান্ত শনাক্তকরণ মোটামুটি সঠিক। রাতের বেলা বা কম আলোতে ছবি তোলার জন্য ইনফিনিক্স একটি ডেডিকেটেড লো লাইট সেন্সর এবং কোয়াড এলইডি ফ্ল্যাশ ব্যবহার করেছে।

তবুও রাতের ছবিতে নয়েজ বা গ্রেইন ভাব থাকে এবং ফোকাস করতে কিছুটা সময় নেয়। ভিডিওর ক্ষেত্রে এটি ১০৮০পি ৩০ এফপিএস-এ ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। ভিডিওতে কোনো স্টেবিলাইজেশন নেই, তাই হাঁটার সময় ভিডিও করলে কাঁপুনি দেখা যায়। সেলফি তোলার জন্য সামনে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা এবং একটি ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ। এই ফ্রন্ট ফ্ল্যাশটি অন্ধকারে সেলফি তুলতে দারুণ সাহায্য করে। বিউটি মোড এবং এআই ফেস ডিটেকশন ফিচার সেলফিগুলোকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

ব্যাটারি ও চার্জিং Infinix Hot 8 এর সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দিক হলো এর ব্যাটারি। এতে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ এর বিশাল লি-পলিমার ব্যাটারি। কম রেজোলিউশনের ডিসপ্লে এবং পাওয়ার এফিশিয়েন্ট প্রসেসর হওয়ার কারণে ব্যাটারি ব্যাকআপ অসাধারণ। সাধারণ ব্যবহারে এক চার্জে অনায়াসেই দুই থেকে তিন দিন পার করে দেওয়া সম্ভব।

যারা সারাদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন বা ভিডিও দেখেন, তাদের জন্যও এটি দেড় দিনের বেশি ব্যাকআপ দেবে। ইনফিনিক্সের দাবি অনুযায়ী এতে ১৭৬ ঘণ্টা মিউজিক প্লেব্যাক টাইম পাওয়া যাবে। তবে ব্যাটারি বড় হওয়ার একটি নেতিবাচক দিক হলো চার্জিং সময়। বক্সে দেওয়া ১০ ওয়াটের সাধারণ চার্জার দিয়ে এই বিশাল ব্যাটারি পূর্ণ চার্জ করতে প্রায় ৩ ঘণ্টার মতো সময় লাগে। মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট হওয়ার কারণে ফাস্ট চার্জিং সুবিধা এখানে অনুপস্থিত, যা বর্তমান সময়ে একটু পিছিয়ে পড়া মনে হতে পারে।

অডিও ও অন্যান্য সাউন্ড কোয়ালিটির দিক থেকে ফোনটি বেশ ভালো। এতে ডিরাক (Dirac) সাউন্ড মোড রয়েছে যা ইয়ারফোন ব্যবহারের সময় সাউন্ড কোয়ালিটি এনহ্যান্স করে। লাউডস্পিকারের সাউন্ড যথেষ্ট জোরালো এবং স্পষ্ট। ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক থাকায় আপনি আপনার পছন্দমতো যেকোনো হেডফোন ব্যবহার করতে পারবেন। কানেক্টিভিটির জন্য এতে রয়েছে ব্লুটুথ ৫.০, ওয়াই-ফাই, জিপিএস এবং এফএম রেডিও। এফএম রেডিও চালানোর জন্য হেডফোন কানেক্ট করার প্রয়োজন হয়। ওটিজি (OTG) সাপোর্ট থাকায় পেনড্রাইভ বা মাউস-কিবোর্ড ব্যবহার করা যাবে।

নিরাপত্তা নিরাপত্তার জন্য ফোনের পেছনের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি বেশ দ্রুত এবং নির্ভুল। আঙুল ছোঁয়ানোর সাথে সাথেই ফোন আনলক হয়ে যায়। এছাড়া ফেস আনলক সুবিধাও রয়েছে, যা দিনের আলোতে ভালো কাজ করে। তবে একদম অন্ধকারে ফেস আনলক কাজ করতে কিছুটা সময় নিতে পারে, সেক্ষেত্রে স্ক্রিন ব্রাইটনেস বা ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ সাহায্য করতে পারে।

ইনফিনিক্স হট ৮ মূলত তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল যারা কম বাজেটে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং বড় ডিসপ্লে খুঁজছেন। যদিও চার্জিং স্পিড এবং ক্যামেরার পারফর্মেন্সে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবুও ১০-১১ হাজার টাকা বাজেটে ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ পাওয়াটা সেই সময়ে একটি বড় ব্যাপার ছিল। বর্তমানে এটি সেকেন্ডারি ডিভাইস হিসেবে বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য একটি ভালো অপশন হতে পারে, বিশেষ করে যাদের ব্যাটারি ব্যাকআপই প্রধান অগ্রাধিকার।

Infinix Hot 8 আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement