AdvertisementAdvertisement

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালালে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের

বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্রচারমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সোমবার সন্ধ্যায় এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিভাগটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো গ্রাহকের বিল নিয়ে যৌক্তিক অভিযোগ থাকলে তাকে উপযুক্ত প্রমাণসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত তিন মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উঠে আসছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, নতুন কোনো বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার না করা সত্ত্বেও বিলে ব্যবহৃত ইউনিটের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে দেখানো হচ্ছে। এছাড়া, নিয়মিত মিটার রিডিং নেওয়ার পরিবর্তে অনুমাননির্ভর বিল প্রস্তুত করার প্রবণতা নিয়েও ক্ষোভ জানিয়েছেন অনেকে। বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, এমন প্রতিটি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সমাধানের পথ খুঁজছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিয়ে গত ২ আগস্ট বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) চেয়ারম্যান রেজাউল করিম স্পষ্ট করেছেন যে, এ নিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়নি। তবে প্রতিটি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে স্ব-স্ব এলাকায় প্রাপ্ত অভিযোগগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যানুযায়ী, অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের সপক্ষে অকাট্য কোনো প্রমাণ মেলেনি।

পিডিবি চেয়ারম্যান আরও বলেন, গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয় সচেষ্ট রয়েছে। কোনো গ্রাহক যদি মনে করেন তার বিলে গরমিল রয়েছে, তবে তিনি সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ দপ্তরে লিখিত আবেদন করলে তা দ্রুত নিস্পত্তি করা হবে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%