দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির পূর্বাভাস ও ঝুঁকিপূর্ণ নদনদীর তালিকা প্রকাশ

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বিশেষ করে বান্দরবানের সাঙ্গু নদী, সুনামগঞ্জের মারকুলি, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। বান্দরবান ও দোহাজারী স্টেশন সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নদী ভাঙন ও বন্যার প্রভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
বন্যা পরিস্থিতির কবলে পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলা। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার বিস্তীর্ণ জনপদ জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। উত্তরাঞ্চলের নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলাতেও বন্যার পানি প্রবেশ করায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ক্রমশ বাড়ছে।
তবে পরিস্থিতির সামান্য উন্নতির ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। আগামী ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু ও খোয়াই নদীর অববাহিকায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
