Advertisement

দিদি নম্বর ওয়ানের মঞ্চে সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ছোট পর্দার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর প্রাণকেন্দ্র ছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাবলীল উপস্থাপনা আর দর্শকদের সঙ্গে আত্মিক সংযোগের জায়গাটি ছিল অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নতুন সমীকরণে এই শোয়ের সঞ্চালনার গুরুদায়িত্ব বর্তেছে টলিউডের তুখোড় অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাঁধে। স্বস্তিকাকে নতুন রূপে পর্দায় দেখার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা আর রচনার সঙ্গে তাঁর তুলনামূলক বিশ্লেষণ।

নতুন এই যাত্রায় স্বস্তিকাকে নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে দর্শকদের মাঝে। একদল দর্শক যেখানে অনুষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে টিআরপি পড়ার ভবিষ্যদ্বাণী করছেন, অন্যদল স্বস্তিকার সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানিয়ে তাঁকে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছেন। এমন টানাপোড়েনের মাঝেই হঠাৎ একটি প্রোমোর দৃশ্যে স্বস্তিকার মুখে এমন মন্তব্য শোনা গেল যে, মুহূর্তেই চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়—‘আমি দিদি নম্বর ওয়ানের সঞ্চালনা করতে পারব না।’ এই কথা কি তবে শো ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত?

বিজ্ঞাপন

আসলে বিষয়টি অতটা জটিল নয়। সাম্প্রতিক এক প্রোমোতে দেখা যায়, একজন প্রতিযোগী মঞ্চে দাঁড়িয়ে অকপটে নিজের জীবনের সংগ্রামের কথা বলছেন। তিনি জানান, কথা বলার জড়তা বা তোতলামির কারণে তাঁকে নানা সময় কটু কথা শুনতে হয়েছে। কিন্তু কোনো নেতিবাচক মন্তব্যে কান না দিয়ে তিনি নিজের লক্ষ্য পূরণে অবিচল ছিলেন। প্রতিযোগীর এই অদম্য মানসিকতার গল্প শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন স্বস্তিকা।

প্রতিযোগীর সাহসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বস্তিকা নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তিনিও একসময় অসংখ্য মানুষের কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন, যারা বলেছিলেন তিনি সঞ্চালনার যোগ্য নন। সব সমালোচনার জবাব দিয়ে আজ তিনি স্বমহিমায় এই মঞ্চ আলোকিত করে আছেন। তাই তিনি নিজের উদাহরণ টেনে প্রতিযোগীকে সাহস জুগিয়ে বলেন, নিন্দুকদের কথায় কান না দিয়ে নিজেদের কাজ দিয়ে সবাইকে ভুল প্রমাণ করতে হবে। স্বস্তিকার এই দৃঢ় সংকল্প আর আত্মবিশ্বাস আবারও প্রমাণ করল, তিনি কেবল অভিনেত্রী হিসেবেই নন, বরং একজন অনুপ্রেরণাদায়ী সঞ্চালক হিসেবেও দর্শকদের মন জয় করতে প্রস্তুত।

বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%