Advertisement

অভাবের দেয়াল ভেঙে চিকিৎসকের স্বপ্ন পূরণের পথে নাটোরের ফাতেমা প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পেলেন

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কাকফো গ্রামের মেধাবী শিক্ষার্থী মোছাঃ ফাতেমা খানমের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল চরম অর্থসংকট। চীনের একটি স্বনামধন্য মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিবিএস পড়ার সুযোগ পেয়েও পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে যখন তার উচ্চশিক্ষার পথ রুদ্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, ঠিক তখনই আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়ালেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল।

ফাতেমা ২০২২ সালে জিগরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০২৪ সালে টাঙ্গাইলের মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৬৭ অর্জন করেন। তার অদম্য মেধা ও অধ্যবসায়ের জোরেই তিনি বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পান, কিন্তু ভর্তির প্রাথমিক খরচ জোগাড় করা তার বাবার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রথমে ব্যক্তিগতভাবে ফাতেমাকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও আন্তরিক সুপারিশের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ফাতেমার জন্য আরও ৫ লাখ টাকা অনুদান মঞ্জুর করা হয়। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে মেধাবী শিক্ষার্থী ফাতেমা খানমের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন। এই সহায়তার ফলে ফাতেমার চীনে গিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ এখন অনেকটাই সুগম হয়েছে।

নিজের প্রতিক্রিয়ায় ফাতেমা খানম জানান, আর্থিক সংকটের কারণে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, এই অনুদান তা কাটিয়ে নতুন উদ্যমে পড়াশোনার প্রেরণা জোগাচ্ছে। তার বাবা লাভলু খাঁন এই সহায়তাকে পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল বলেন, এলাকার কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী যেন অর্থাভাবে ঝরে না পড়ে, সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ও মানবিক নেতৃত্বের কারণেই মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও ফাতেমার শিক্ষাজীবনের প্রয়োজনে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

0%
0%
0%
0%