AdvertisementAdvertisement

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়

টলিউডের অন্দরমহলে সম্প্রতি চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক আঙিনায় পদার্পণের পর সহকর্মী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে তাঁর কিছু মন্তব্য নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। আরবানায় বসবাসের যোগ্যতা নিয়ে রচনার করা একটি বিস্ফোরক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকে নিয়ে ট্রোলের বন্যা বইয়ে দেন নেটপাড়ার একাংশ। তবে এই প্রতিকূল সময়ে রচনার পাশে দাঁড়িয়ে এক সাহসী ও পরিপক্ক অবস্থান নিলেন অভিনেত্রী কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

একটি সাক্ষাৎকারে কনীনিকা স্পষ্ট জানান, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন বরিষ্ঠ অভিনেত্রীকে নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ ট্রোলিং কখনোই কাম্য নয়। তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যের সাফল্যকে ছোট করে নিজেদের বড় দেখানোর এক অসুস্থ প্রবণতা তৈরি হয়েছে। কনীনিকা দৃঢ়ভাবে দাবি করেন, রচনা দীর্ঘ পরিশ্রম ও মেধার জোরে আজ যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন, তা অনস্বীকার্য। সাতটি ভিন্ন ভাষায় অভিনয় করা এবং অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করা—এই গৌরবময় সাফল্যের কৃতিত্ব পুরোপুরি রচনারই প্রাপ্য।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

বিতর্কের সূত্রপাত হওয়া ওই মন্তব্যের সপক্ষে যুক্তি দিয়ে কনীনিকা আরও যোগ করেন যে, রচনা কোনো ভুল বলেননি। তথ্যের নিরিখে বিচার করলে দেখা যায়, জয়া ভাদুড়ি কিংবা শর্মিলা ঠাকুরের মতো কিংবদন্তি অভিনেত্রীরা বাঙালি হলেও তাঁদের মূল কর্মক্ষেত্র ছিল মুম্বই। সেই নিরিখে কলকাতা থেকে গিয়ে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে রচনার দাবিটি ঐতিহাসিকভাবেই সঠিক।

পরিশেষে কনীনিকার আক্ষেপ, মূল রাজনৈতিক বা সামাজিক প্রসঙ্গের চেয়ে রচনার ব্যক্তিগত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যেভাবে কাটাছেঁড়া করা হচ্ছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত রচনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও বিদ্রূপের শিকার হতে হয়েছে। একজন সহকর্মী হিসেবে কনীনিকার এই অকুণ্ঠ সমর্থন টলিউডের সাম্প্রতিক উত্তাল বিতর্কে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।

Advertisement
বিজ্ঞাপন
0%
0%
0%
0%