প্রশ্ন ফাঁসের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং এর সত্যতা পাওয়ার প্রেক্ষিতে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে ‘সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা’ পদের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বেলা ১১টায় নির্ধারিত এই পরীক্ষাটি আয়োজনের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর প্রাক্কালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় জনস্বার্থে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শেষ মুহূর্তে পরীক্ষা স্থগিতের এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থগিত হওয়া এই পরীক্ষাটি আগামী ১৬ অক্টোবর (শুক্রবার) বিকেল ৩টায় নতুন সময়সূচি অনুযায়ী পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার আনুষঙ্গিক প্রবেশপত্র ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে চাঞ্চল্যকর এই প্রশ্ন ফাঁসের নেপথ্য কারণ উদঘাটন এবং এর সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবগঠিত এই কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন ফাঁসের মতো জঘন্য অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের লাখ লাখ বেকার যুবকের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সাهمে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী ও সচেতন মহল।