বগুড়ার কাহালু উপজেলায় চাঞ্চল্যকর তৃতীয় লিঙ্গের ব্যবসায়ী ওয়াহেদ হোসেন ওরফে নিঝুম হত্যা মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। বন্ধুর কাছ থেকে নেওয়া ধারের টাকা পরিশোধের বিরোধের জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে খুনিরা ইন্টারনেট সার্চ করে অজ্ঞান করার ওষুধের নাম জেনে নেয়। এরপর কোমলপানীয়র সঙ্গে চেতনানাশক ও বিষাক্ত দ্রব্য মিশিয়ে ব্যবসায়ী নিঝুমকে হত্যা করা হয় এবং পরে বস্তাবন্দি লাশ দীঘির পাড়ে ফেলে রাখা হয়।
নিহত নিঝুম বগুড়া শহরের সূত্রাপুর এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং তিনি বাবার সঙ্গে ফলের আড়ত পরিচালনা করতেন। এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে আসামিদের টাকা ধার দেওয়ার পর থেকেই মূলত বিরোধের সূত্রপাত ঘটে।
তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ কললিস্ট বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে জড়িত নাজিম উদ্দিন ও তার সহযোগী স্বপনকে শনাক্ত করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মদনাই গ্রাম থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন।
আদালত আসামির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন এবং পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর সহযোগীকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার দ্রুত বিচার এবং জড়িত সকলের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।