ডেটিং অ্যাপে হৃতিক রোশনের প্রোফাইল নিয়ে শোরগোল ঘিরে সাবার সঙ্গে বিচ্ছেদের জল্পনা

বলিউডের অন্যতম চর্চিত জুটি হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের সম্পর্ক নিয়ে বিচ্ছেদের গুঞ্জন এখন বিনোদন দুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রে। দীর্ঘদিনের প্রণয়ের সম্পর্কের মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হঠাৎ করেই একটি স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়েছে, যা ঘিরে তৈরি হয়েছে নানামুখী জল্পনা। স্ক্রিনশটটি একটি এক্সক্লুসিভ ডেটিং অ্যাপ ‘রায়া’র। যেখানে হৃতিকের ছবি সম্বলিত একটি প্রোফাইল দৃশ্যমান। প্রোফাইলটির বায়ো-তে নিজেকে অভিনেতা, প্রযোজক ও উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। যদিও এই প্রোফাইলটি আদৌ হৃতিকের কি না, তা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সত্যতা মেলেনি।
মুহূর্তের মধ্যেই নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই তথ্য ভক্তদের মনে তীব্র কৌতূহল জাগিয়েছে। অনেকে হৃতিক ও সাবার সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশ রসিকতা করে হৃতিককে পাকিস্তানের ক্রিকেটার শোয়েব মালিকের সঙ্গে তুলনা করেছেন, কেউবা আবার মজা করে লিখেছেন, হৃতিকের মতো তারকা যদি ডেটিং অ্যাপে সক্রিয় হন, তবে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হবে! তবে এসব আলোচনার ভিড়ে হৃতিকের একনিষ্ঠ ভক্তরা অভিনেতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের দাবি, রায়া-তে হৃতিকের উপস্থিতি নতুন কিছু নয় এবং অ্যাকাউন্টটি আগে থেকেই সক্রিয় ছিল, যা বিচ্ছেদের কোনো প্রমাণ হতে পারে না। কেউ কেউ আবার মনে করছেন, এটি নিছকই কোনো ফ্যান বা প্রতারকের তৈরি করা ভুয়া প্রোফাইল।
তবে এ বিষয়ে হৃতিক রোশন বা সাবা আজাদ—কারোর পক্ষ থেকেই এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। নীরবতা পালন করছেন দুই তারকাই। উল্লেখ্য যে, এর আগে ২০০০ সালে সুজান খানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন হৃতিক। দীর্ঘ ১৪ বছরের সংসার জীবনের ইতি টেনে ২০১৪ সালে তারা আলাদা হয়ে যান। এরপর ২০২১ সালে সাবা আজাদের সঙ্গে হৃতিকের প্রেমের সম্পর্কের গুঞ্জন চাউর হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ডিনার ডেটে ক্যামেরাবন্দি হওয়ার পর তারা নিজেদের সম্পর্কের কথা জনসমক্ষে প্রকাশ করেন।
মাল্টি-ট্যালেন্টেড সাবা আজাদ একজন অভিনেত্রী, সঙ্গীতশিল্পী এবং থিয়েটার পরিচালক হিসেবেও সমাদৃত। ‘দিল কাবাডি’, ‘মুঝসে ফ্রেন্ডশিপ করোগে’-এর মতো সিনেমার পাশাপাশি ২০২৬ সালে মুক্তিপ্রতীক্ষিত ‘বান্দর’ ছবিতে ববি দেওলের বিপরীতে তার অভিনয় দেখার অপেক্ষায় আছেন দর্শক। তারকা জুটির ব্যক্তিগত জীবনের এই অস্থিরতা আদৌ কি কোনো বিচ্ছেদের ইঙ্গিত, নাকি স্রেফ সোশ্যাল মিডিয়ার ভিত্তিহীন গুঞ্জন—সেটাই এখন দেখার বিষয়।
