Infinix Hot 50
General & Launch
Network
Body
Display
Platform
Memory
Camera
Sound
Connectivity
Battery
Features
- শক্তিশালী হেলিও জি১০০ প্রসেসর (সেগমেন্ট ফার্স্ট)।
- ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সহ স্মুথ ডিসপ্লে।
- অত্যন্ত স্লিম (৭.৭ মিমি) এবং মডার্ন ডিজাইন।
- ৫ বছরের ল্যাগ-ফ্রি পারফর্মেন্সের প্রতিশ্রুতি (TÜV)।
- বাইপাস চার্জিং সুবিধা গেমিংয়ের জন্য।
- আইপি ৫৪ ডাস্ট এবং স্প্ল্যাশ রেজিস্ট্যান্স।
- চার্জিং গতি বেশ ধীর (১৮ ওয়াট)।
- কোনো আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা লেন্স নেই।
- সিঙ্গেল স্পিকার (স্টেরিও স্পিকার নেই)।
- বক্সে প্রচুর ব্লোটওয়্যার অ্যাপ থাকে।
বিস্তারিত
Infinix Hot 50 market price in Bangladesh is ১৬,৯৯৯ টাকা। স্মার্টফোন প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ইনফিনিক্স সর্বদা তাদের ‘হট’ সিরিজের মাধ্যমে বাজেট এবং পারফর্মেন্সের এক দারুণ সমন্বয় ঘটাতে চেষ্টা করে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, যারা গেম খেলতে ভালোবাসেন কিন্তু বাজেট খুব বেশি নয়, তাদের কাছে এই সিরিজটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০২৪ সালের শেষের দিকে এবং ২০২৫ সালের শুরুতে ইনফিনিক্স হট ৫০ সিরিজটি বাজারে এক নতুন উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে।
ইনফিনিক্স হট ৫০ ফোনটিকে কোম্পানি পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে তাদের সেগমেন্টের সবচেয়ে স্লিম এবং শক্তিশালী গেমিং ফোন হিসেবে। পূর্ববর্তী হট ৪০ সিরিজের তুলনায় ডিজাইনে আমূল পরিবর্তন এবং হার্ডওয়্যারে মিডিয়াটেকের নতুন চিপসেট ব্যবহার ফোনটিকে বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে। আজকের এই পর্যালোচনায় আমরা দেখব, ১৬-১৭ হাজার টাকা বাজেটে এই ফোনটি কি আসলেই বাজারের সেরা ডিল, নাকি শুধুই মার্কেটিং গিমিক। ডিজাইন, ডিসপ্লে, প্রসেসর, ক্যামেরা এবং ব্যাটারি লাইফ—সবকিছুই চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হবে।
ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Infinix Hot 50 এর ডিজাইন ল্যাঙ্গুয়েজ এক কথায় অনবদ্য। ইনফিনিক্স দাবি করছে এটি তাদের তৈরি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে স্লিম হট সিরিজ স্মার্টফোন, যার পুরুত্ব মাত্র ৭.৭ মিলিমিটার। ফোনটি হাতে নিলেই এর প্রিমিয়াম ভাব এবং হালকা ওজনের বিষয়টি টের পাওয়া যায়। এর ওজন মাত্র ১৮৭ গ্রাম, যা ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। পেছনের প্যানেলে ব্যবহার করা হয়েছে উন্নত মানের পলিকার্বোনেট ম্যাটেরিয়াল, যাতে একটি গ্লাস-লাইক ফিনিশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে “স্লীক ব্ল্যাক” এবং “সেজ গ্রিন” কালারগুলো আলোতে খুব সুন্দর রিফ্লেকশন দেয়।
তবে গ্লসি ফিনিশ হওয়ার কারণে এতে আঙুলের ছাপ পড়ার কিছুটা প্রবণতা থাকে। ক্যামেরা মডিউলটি লম্বালম্বিভাবে সাজানো, যা ফোনটিকে একটি ক্লিন এবং মিনিমালিস্টিক লুক দিয়েছে। ইনফিনিক্স ক্যামেরা বাম্পের ডিজাইন এমনভাবে করেছে যা খুব একটা উঁচু নয়, ফলে টেবিলের ওপর রাখলে ফোনটি খুব বেশি নড়াচড়া করে না। ফোনের ফ্রেমটি ফ্ল্যাট বা সমতল, যা বর্তমান সময়ের ট্রেন্ডের সাথে মানানসই। ডান পাশে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম রকার বাটনগুলোর অবস্থান বেশ সুবিধাজনক।
পাওয়ার বাটনটি একই সাথে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর হিসেবে কাজ করে, যা অত্যন্ত দ্রুত। বাম পাশে রয়েছে সিম ট্রে, যেখানে দুটি সিম এবং একটি মেমোরি কার্ড একই সাথে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। নিচের অংশে টাইপ-সি পোর্ট, প্রাইমারি মাইক্রোফোন, ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক এবং স্পিকার গ্রিল অবস্থান করছে। আইপি ৫৪ (IP54) রেটিং থাকার কারণে এটি ধুলো এবং হালকা পানির ঝাপটা থেকে সুরক্ষিত থাকবে, যা আমাদের দেশের আবহাওয়ায় বেশ জরুরি একটি ফিচার।
ডিসপ্লে ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা এই ডিভাইসটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির একটি বিশাল আইপিএস এলসিডি প্যানেল। ইনফিনিক্স হট সিরিজের ব্যবহারকারীরা সাধারণত বড় ডিসপ্লে পছন্দ করেন গেম খেলা এবং ভিডিও দেখার জন্য, আর হট ৫০ সেই চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম। ডিসপ্লেটির রেজোলিউশন ফুল এইচডি প্লাস (১০৮০ x ২৪৬০ পিক্সেল)। এর সবচেয়ে বড় শক্তিশালী দিক হলো এর ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।
বাজেট সেগমেন্টে ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট পাওয়াটা এখন স্ট্যান্ডার্ড হয়ে দাঁড়াচ্ছে, আর ইনফিনিক্স এখানে পিছিয়ে নেই। এর ফলে ইউজার ইন্টারফেস স্ক্রল করা, সোশ্যাল মিডিয়া ফিড দেখা বা অ্যাপ ড্রয়ার ওপেন করার অভিজ্ঞতা মাখনের মতো মসৃণ মনে হয়। ডিসপ্লের টাচ স্যাম্পলিং রেট ২৪০ হার্টজ, যা গেমিংয়ের সময় কুইক রেসপন্স নিশ্চিত করে। ডিসপ্লের ব্রাইটনেস ৮০০ নিটস (HBM) পর্যন্ত যেতে পারে, যা ইনডোর এবং আউটডোর উভয় পরিবেশেই ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট উজ্জ্বল।
ইনফিনিক্স তাদের “ওয়েট টাচ” প্রযুক্তি এই ফোনেও যুক্ত করেছে, ফলে ভেজা হাতেও স্ক্রিন কাজ করবে। এছাড়া ডিসপ্লের ওপরের পাঞ্চ-হোল কাটআউটের চারপাশে “ডায়নামিক বার” ফিচার কাজ করে। এটি ফেস আনলক, চার্জিং স্ট্যাটাস বা ব্যাকগ্রাউন্ড কলের সময় আইফোনের ডায়নামিক আইল্যাল্ডের মতো অ্যানিমেশন দেখায়। কালার রিপ্রোডাকশন বেশ পাচি এবং ভাইব্রেন্ট, যা ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাকে আনন্দদায়ক করে তোলে।
পারফর্মেন্স ও হার্ডওয়্যার Infinix Hot 50 এর মূল চালিকাশক্তি হলো মিডিয়াটেক হেলিও জি১০০ (Helio G100) চিপসেট। এটি ৬ ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে তৈরি একটি অক্টা-কোর প্রসেসর। ইনফিনিক্স বিশ্বের প্রথম ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে একটি যারা এই নতুন চিপসেটটি ব্যবহার করেছে। মূলত এটি জি৯৯ চিপসেটের একটি রিফাইন বা অপ্টিমাইজড সংস্করণ, যা ৪জি কানেক্টিভিটির মধ্যে সেরা পারফর্মেন্স দিতে সক্ষম।
দৈনন্দিন কাজ যেমন—সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, মাল্টিটাস্কিং এবং হেভি অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ফোনটি কোনো ধরনের ল্যাগ ছাড়াই কাজ করে। ফোনটিতে ৬ জিবি বা ৮ জিবি র্যাম এবং ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ রয়েছে। মেমোরি ফিউশন প্রযুক্তির মাধ্যমে র্যাম আরও ৮ জিবি পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। গেমিংয়ের ক্ষেত্রে, ইনফিনিক্স দাবি করেছে এটি একটি গেমিং ফোন। পাবজি মোবাইল বা কল অফ ডিউটির মতো গেমগুলো স্মুথ গ্রাফিক্স এবং আল্ট্রা বা এক্সট্রিম ফ্রেম রেটে খেলা সম্ভব।
ফ্রি ফায়ার গেমটি এতে ৯০ এফপিএস বা হাই ফ্রেম রেটে খুব মসৃণভাবে চলে। ইনফিনিক্সের এক্স-এরিনা (XArena) গেম মোডটি গেমিং পারফর্মেন্স অপ্টিমাইজ করতে দারুণ কাজ করে। দীর্ঘক্ষণ গেম খেললে ফোনের ক্যামেরা অংশের পাশে সামান্য উষ্ণতা অনুভব হতে পারে, তবে তা খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়। ইনফিনিক্স দাবি করেছে যে এই ফোনটি টিইউভি (TÜV) এর ৬০ মাসের ফ্লুয়েন্সি রেটিং প্রাপ্ত, অর্থাৎ ৫ বছর পর্যন্ত ফোনটি নতুনের মতো ফাস্ট থাকবে।
সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৪ ভিত্তিক এক্সওএস ১৪.৫ (XOS 14.5) ইন্টারফেসে চলে। ইনফিনিক্সের সফটওয়্যার আগের চেয়ে অনেক বেশি রিফাইন এবং ক্লিন হয়েছে। এক্সওএস ১৪.৫-এ নতুন কন্ট্রোল সেন্টার, ফোল্ডার ডিজাইন এবং লক স্ক্রিন কাস্টমাইজেশনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে। এতে বেশ কিছু এআই ফিচার রয়েছে, যেমন—এআই গ্যালারি, এআই চার্জিং এবং ফোল্যাক্স (Folax) ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট।
ইনফিনিক্স সফটওয়্যারের ব্লোটওয়্যার সমস্যা অনেকটাই কমিয়ে এনেছে, যদিও এখনো কিছু প্রি-ইনস্টল অ্যাপ রয়ে গেছে যা আনইনস্টল বা ডিজেবল করা যায়। ইনফিনিক্সের মাল্টি-উইন্ডো এবং স্মার্ট প্যানেল ফিচারগুলো মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য বেশ কার্যকর। সফটওয়্যার আপডেটের বিষয়ে কোম্পানি এখন আগের চেয়ে বেশি সচেতন, তাই নিয়মিত সিকিউরিটি প্যাচ পাওয়ার আশা করা যায়।
ক্যামেরা সেকশন ফটোগ্রাফির জন্য Infinix Hot 50 এর পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে এফ/১.৬ অ্যাপারচার এবং ১/২.৭৬ ইঞ্চির সেন্সর রয়েছে। দিনের পর্যাপ্ত আলোতে এই ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো বেশ শার্প এবং ডিটেইলড হয়। ইনফিনিক্সের কালার সায়েন্স ছবিগুলোকে কিছুটা বুস্ট করে, ফলে ছবিগুলো দেখতে বেশ জীবন্ত এবং সোশ্যাল মিডিয়া রেডি মনে হয়। এইচডিআর মোড অন থাকলে আকাশের রং এবং ছায়ার ডিটেইলস ভালো পাওয়া যায়।
পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার বেশ ন্যাচারাল। তবে এই ফোনে কোনো আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স নেই, যা ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফির জন্য একটি বড় অভাব। ম্যাক্রো এবং ডেপথ সেন্সরগুলো মূলত নামমাত্র। রাতে ছবি তোলার জন্য এতে “সুপার নাইট মোড” রয়েছে। নাইট মোড ব্যবহার করলে ছবিতে নয়েজ কমে এবং আলোর ব্যালেন্স ঠিক থাকে, যদিও খুব অন্ধকার পরিবেশে ফোকাস করতে কিছুটা সময় নিতে পারে।
ভিডিওর ক্ষেত্রে এটি ২কে (1440p) রেজোলিউশনে ৩০ এফপিএস এবং ১০৮০পি রেজোলিউশনে ৬০ এফপিএস ভিডিও রেকর্ড করতে সক্ষম। সেলফি তোলার জন্য সামনে ৮ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে। সামনে একটি এলইডি ফ্ল্যাশ থাকার কারণে একদম অন্ধকারেও উজ্জ্বল সেলফি বা ভিডিও কল করা সম্ভব। সেলফি ক্যামেরার মান গড়পড়তা, সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো।
ব্যাটারি ও চার্জিং Infinix Hot 50 ফোনে রয়েছে ৫০০০ এমএএইচ এর লি-পলিমার ব্যাটারি। ৬ ন্যানোমিটার প্রসেসর এবং অপ্টিমাইজড সফটওয়্যার হওয়ার কারণে ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত। সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসেই দেড় দিন পার করে দেওয়া সম্ভব। এমনকি হেভি গেমারদের জন্যও এটি এক দিন পূর্ণ ব্যাকআপ দেবে।
তবে এই ফোনের একটি দুর্বল দিক হলো এর চার্জিং স্পিড। বক্সে ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সময়ে যেখানে প্রতিযোগীরা ৩৩ ওয়াট বা ৪৫ ওয়াট দিচ্ছে, সেখানে ১৮ ওয়াট কিছুটা হতাশাজনক। এই চার্জার দিয়ে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি ০ থেকে ১০০ শতাংশ চার্জ হতে প্রায় ২ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মতো সময় নেয়। তবে গেমারদের জন্য সুখবর হলো এতে “বাইপাস চার্জিং” সুবিধা রয়েছে। গেম খেলার সময় চার্জার কানেক্ট করলে ব্যাটারি চার্জ না হয়ে সরাসরি মেইন লাইন থেকে ফোন চলবে। এতে ফোন গরম হয় না এবং ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘস্থায়ী হয়।
অডিও ও অন্যান্য সাউন্ড কোয়ালিটির জন্য এতে একটি সিঙ্গেল স্পিকার ব্যবহার করা হয়েছে (কিছু ভেরিয়েন্টে ডুয়েল থাকতে পারে, তবে বেস মডেল সাধারণত সিঙ্গেল)। স্পিকারের সাউন্ড বেশ লাউড এবং ক্লিয়ার। ৩.৫ মিমি জ্যাক থাকায় আপনি আপনার পছন্দের গেমিং হেডফোন ব্যবহার করতে পারবেন এবং হেডফোনে সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ ভালো।
কানেক্টিভিটির জন্য এতে ডুয়েল ব্যান্ড ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ৫.৪ এবং জিপিএস সুবিধা রয়েছে। এনএফসি সুবিধা গ্লোবাল ভেরিয়েন্টে থাকলেও রিজিয়ন ভেদে তা ভিন্ন হতে পারে। কল কোয়ালিটি বেশ পরিষ্কার এবং নেটওয়ার্ক রিসিপশন শক্তিশালী।
সব মিলিয়ে, Infinix Hot 50 তাদের জন্য একটি আদর্শ প্যাকেজ যারা ১৭ হাজার টাকার নিচে একটি স্লিম, স্টাইলিশ এবং পারফর্মেন্স ওরিয়েন্টেড ফোন খুঁজছেন। এর ১২০ হার্টজ ডিসপ্লে, হেলিও জি১০০ চিপসেট এবং ৫ বছরের ল্যাগ-ফ্রি পারফর্মেন্সের প্রতিশ্রুতি একে বাজারের অন্যান্য ফোন থেকে আলাদা করেছে। যদিও চার্জিং স্পিড ধীর এবং ক্যামেরায় আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স নেই, তবুও এর ডিজাইন এবং গেমিং সক্ষমতা সেই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ করে দেয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী এবং তরুণ গেমারদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই ফোনটি তৈরি করা হয়েছে।