AdvertisementAdvertisement

টেমসাইডে নির্বাচনী জালিয়াতির অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার

বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের অ্যাশটন-আন্ডার-লাইন এলাকায় স্থানীয় নির্বাচনে ভুয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যবহারের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগের তদন্তে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চার পুরুষ ও এক নারী রয়েছেন, যাদের বয়স ২৩ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। এই জালিয়াতির অভিযোগটি টেমসসাইড কাউন্সিলের সেন্ট পিটার্স ওয়ার্ডের মে মাসের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উঠেছে, যেখানে বিরোধী দলের ভোট বিভাজন করে লেবার পার্টির প্রার্থীর সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

বৃহত্তর ম্যানচেস্টার পুলিশ জানিয়েছে, এই গ্রেপ্তার সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে প্রার্থীরা কীভাবে মনোনীত হয়েছিলেন এবং কীভাবে তারা প্রতিনিধিত্ব করেছেন, সেই প্রক্রিয়াটির সঙ্গে সম্পর্কিত। তারা আরও উল্লেখ করে যে, এই প্রক্রিয়া প্রাসঙ্গিক আইন ও নির্বাচনী পদ্ধতি মেনে চলেছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ম্যানচেস্টার-ভিত্তিক প্রকাশনা ‘দ্য মিল’ পূর্বে এই অভিযোগগুলো নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিল। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মে মাসের সেন্ট পিটার্স ওয়ার্ডের নির্বাচনে লেবার পার্টির সুবিধা নিশ্চিত করতে এবং বিরোধীদের ভোট বিভক্ত করার উদ্দেশ্যে কিছু ব্যক্তিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর জন্য উৎসাহিত করা হয়েছিল।

নির্বাচনের ফলাফলে, সেন্ট পিটার্স ওয়ার্ডে লেবার পার্টির প্রার্থী আতা উল-রসুল স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমেদ মেহমুদের চেয়ে ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন। তিনি টেমসসাইডে লেবার পার্টির একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী ছিলেন। মারি ফেয়ারহার্স্ট এবং মুহাম্মদ আলী নামের আরও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী সম্মিলিতভাবে ২৭১ ভোট পেয়েছিলেন। ‘দ্য মিল’ এর তথ্যমতে, এই দুই প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় দৃশ্যমান উপস্থিতি ছিল খুবই কম এবং নির্বাচনের সময় তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কোনো উত্তর দেননি।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ফলাফল ঘোষণার পর, ‘টেমসসাইড করেসপন্ডেন্ট’ জানায় যে, ফেয়ারহার্স্ট দাবি করেছেন তিনি প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিলেন তা তার জানা ছিল না। আহমেদ মেহমুদের নির্বাচনী প্রচারণা ব্যবস্থাপক কাউন্সিলর খলিল খান ‘দ্য মিল’কে জানিয়েছেন যে, তিনি টেমসসাইড কাউন্সিলে এই নির্বাচনের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়নি। বৃহত্তর ম্যানচেস্টার পুলিশ এই অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাদের তদন্ত অব্যাহত রেখেছে।

তথ্যসূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান

0%
0%
0%
0%