সংসদীয় গণতন্ত্র ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদারে ঐকমত্য পাকিস্তান আইনসভার শীর্ষ নেতাদের

পাকিস্তানের সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও সুসংহত এবং কার্যকর করার লক্ষ্যে দেশটির উচ্চকক্ষ সিনেট ও নিম্নকক্ষ জাতীয় সংসদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছেন। গত শনিবার ইসলামাবাদে সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি এবং জাতীয় সংসদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিকের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিনেট সচিবালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
রাজধানী ইসলামাবাদে সিনেট চেয়ারম্যানের বাসভবনে আয়োজিত এই বৈঠকে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার সৈয়দ গোলাম মোস্তফা শাহ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকে সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যকে সুদৃঢ় করতে এবং একটি কার্যকর সংসদীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উভয় কক্ষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অপরিহার্য। জাতীয় সংসদের স্পিকার আয়াজ সাদিক এ সময় যথাযথ আইন প্রণয়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার পরিধি আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে মত প্রকাশ করেন যে, জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান এবং সংবিধান সমুন্নত রাখা পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি। দুই কক্ষের মধ্যে যোগাযোগের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার বিষয়েও তারা অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, এই বৈঠকের একদিন আগেই সিনেট চেয়ারম্যান ইউসুফ রাজা গিলানি পার্লামেন্ট হাউসে আধুনিকায়নের মাধ্যমে নবনির্মিত সিনেট সচিবালয় কমপ্লেক্সের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি মন্তব্য করেন, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের জন্য আধুনিক অবকাঠামো ও পেশাদার কর্মপরিবেশ একান্ত প্রয়োজন। সচিবালয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সংসদকে সহায়তা করার লক্ষ্যেই মূলত এই সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ
