AdvertisementAdvertisement

সাংবিধানিক কাঠামোর অধীনেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে বলে মন্তব্য রানার সানাউল্লাহর

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামো কোনো হাইব্রিড বা সংকর ব্যবস্থা নয় বরং এটি একটি সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সিনেটর রানা সানাউল্লাহ। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেন, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে যে বক্তব্য সম্প্রতি প্রদান করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন এবং অর্থহীন। পাকিস্তানের সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ১৯৭৩ সালের সংবিধান অনুযায়ী সুচারুভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং এর অধীনে বিচার বিভাগ, প্রশাসন ও ফেডারেল সরকার নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রশাসনিক সংস্কার বা নতুন প্রদেশ গঠনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে রানা সানাউল্লাহ জানান, এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আলোচনার পথ উন্মুক্ত থাকলেও সংবিধানের পরিপন্থী কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ নেই বলে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, পাকিস্তান বর্তমানে একটি অটল সাংবিধানিক গণতন্ত্রের ধারা মেনে চলছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের মধ্যকার পারস্পরিক সহযোগিতা ও শ্রদ্ধাবোধের কারণে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করেন এই উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন যে, সন্ত্রাসবাদ দমনে সাফল্য এবং ভারতের বিরুদ্ধে অর্জিত বিজয়গুলো মূলত এই জাতীয় ঐক্যেরই ফসল। এ সময় তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরকে জাতীয় বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বে দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বজুড়ে উজ্জ্বল হয়েছে।

আজাদ কাশ্মীরের সাম্প্রতিক নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে রানা সানাউল্লাহ একে স্বচ্ছ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, মিরপুরে ভোটারদের উপস্থিতির হার ছিল ৫৩ শতাংশ এবং মুজাফফরাবাদেও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে কতিপয় গোষ্ঠী অপচেষ্টা চালালেও জনগণের নিরঙ্কুশ অংশগ্রহণের মাধ্যমে সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে এবং এর ফলে ভারতের এজেন্ডাও মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ

0%
0%
0%
0%