AdvertisementAdvertisement

আজাদ কাশ্মীরে নির্বাচনে সহিংসতা ও কারচুপির অভিযোগ কায়রার, এক কর্মী নিহত

আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ব্যাপক অনিয়ম, সহিংসতা এবং কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) জ্যেষ্ঠ নেতা কামার জামান কাইরা। মুজাফ্‌ফরাবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন যে, নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে পিপিপির হাত থেকে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই সহিংসতায় দলের একজন কর্মী নিহত হয়েছেন বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

কামার জামান কাইরা অভিযোগ করেন, নির্বাচনি এলাকায় হামলার শিকার হয়েছেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা চৌধুরী লতিফ আকবর। তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই দলের পক্ষ থেকে উদ্বেগ জানানো হয়েছিল, তবুও গণতন্ত্রের স্বার্থে পিপিপি নির্বাচনে অংশ নেয়। কিন্তু নির্বাচনের দিন সরকারি কর্মকর্তাদের পক্ষপাতিত্ব এবং বিরোধীদের নগ্ন হস্তক্ষেপ পুরো প্রক্রিয়াটিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে কাইরা আরও অভিযোগ করেন, অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের সরঞ্জাম দেরিতে পৌঁছানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সমর্থকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যালট পেপারে সিল মারার মতো জঘন্য কাজ করেছে। বিশেষ করে এলএ-২৮ আসনের তিনটি ইউনিয়ন কাউন্সিলে নির্বাচনি উপকরণ পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় প্রশাসন, অন্যদিকে এলএ-২৭ আসনে বৃষ্টিপাতের অজুহাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির এই জ্যেষ্ঠ নেতা কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত কোনো সরকার কখনোই জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। তিনি মনে করেন, এই নির্বাচনটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত একটি প্রহসন, যার মাধ্যমে পিপিপির বিজয়কে নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত সরকারের বৈধতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠবে, তা ভবিষ্যতে পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর সংকটের সৃষ্টি করবে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: দুনিয়া নিউজ

0%
0%
0%
0%