শ্রীলঙ্কা এ দলের কাছে ভারতের হার ও মাঠে খেলোয়াড়দের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়

শ্রীলঙ্কার ডাম্বুলায় অনুষ্ঠিত ভারত এ এবং শ্রীলঙ্কা এ দলের মধ্যকার রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত মাঠের উত্তাপ ছাড়িয়ে গড়িয়েছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দিকে। সোমবারের ওই ম্যাচে জয়ের জন্য শেষ বলে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৮ রান, তবে তিলক ভার্মার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়। মাঠের লড়াইয়ের চেয়েও ম্যাচ পরবর্তী খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক সমালোচনা।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের শেষ ওভারে বল করছিলেন শ্রীলঙ্কার বোলার কুগাথাস মাথুলানে। তাঁর নিখুঁত ইয়র্কারে ভারত লক্ষ্যপূরণে ব্যর্থ হলে জয় নিশ্চিত হয় শ্রীলঙ্কা এ দলের। জয়ের পর মাথুলানের উদযাপন কিংবা কোনো মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ১৫ বছর বয়সী ভারতীয় ক্রিকেটার সূর্যবংশী মেজাজ হারিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে সূর্যবংশী শ্রীলঙ্কার এক ক্রিকেটারকে ধাক্কা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পাল্টা ধাক্কা দেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ও। শেষ পর্যন্ত নিরোসান দিকাওয়েলাসহ অন্যান্য ক্রিকেটাররা হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

প্যাভিলিয়নে ফেরার পথেও সূর্যবংশীর অসন্তোষ অব্যাহত ছিল এবং সতীর্থদের তাকে শান্ত করতে বেগ পেতে হয়েছে। ধারাভাষ্যকাররা বিষয়টিকে দুঃখজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে ওইদিন ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তপ্ত পরিস্থিতির আভাস পাওয়া গিয়েছিল। ভারত এ দলের অধিনায়ক তিলক ভার্মাও আম্পায়ারদের সঙ্গে বারবার তর্কে জড়িয়ে পড়েন। আলোর স্বল্পতা এবং সুপার ওভারে আম্পায়ারের দেওয়া ‘নো বল’-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে ভারতীয় অধিনায়ক দীর্ঘক্ষণ দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিলেন।

স্মরণীয় যে, সূর্যবংশীর এমন আচরণ এবারই প্রথম নয়। এর আগেও গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের ফাইনালে আউট হওয়ার পর প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় আলি রাজার সঙ্গে তিনি তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। মাঠের খেলার তীব্র লড়াই ছাপিয়ে খেলোয়াড়দের এমন অশোভন আচরণ ক্রীড়াঙ্গনে নেতিবাচক বার্তার জন্ম দেয়। শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারে শ্রীলঙ্কা এ দলের জয়ে ম্যাচটির নিষ্পত্তি ঘটে।

বিজ্ঞাপন

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

0%
0%
0%
0%