AdvertisementAdvertisement

হোয়াইট হাউসের হেলিকপ্টারের সাথে যাত্রীবাহী বিমানের নিবিড় সংঘর্ষ এড়ানোর ঘটনায় তদন্ত শুরু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ ওয়াশিংটনের রিগ্যান ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নরত একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের বিপজ্জনক কাছাকাছি চলে আসায় আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৩৩ মিনিটে হেলিকপ্টারটি হোয়াইট হাউসের কাছ থেকে উড্ডয়নের সময় এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রিগ্যান ন্যাশনাল বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা মেরিন ওয়ানের যাত্রাপথ নিরাপদ রাখতে বাণিজ্যিক ফ্লাইটগুলোর উড্ডয়ন সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। গত বছর ঘটা একটি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছিল, যার অন্যতম শর্ত ছিল হেলিকপ্টারের চলাচলের সময় বাণিজ্যিক বিমান চলাচল বন্ধ রাখা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এবার সেই নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটায় দুটি উড়োজাহাজ একে অপরের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে চলে আসে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রাথমিক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, ঘটনাটি ছিল আকাশপথে বিযুক্তির একটি ক্ষণস্থায়ী মুহূর্ত, যার পরপরই উড়োজাহাজগুলো নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে সক্ষম হয়। কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, পুরো সময়জুড়ে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের সাথে পাইলটদের যোগাযোগ বজায় ছিল এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কোনো ধরনের বিপদের সম্মুখীন হননি। শেষ পর্যন্ত সবকটি উড়োজাহাজ নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

তদন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, এনভয় এয়ার ফ্লাইট ৩৭৪২ এবং রিপাবলিক ৪৭০ নামের দুটি উড়োজাহাজ এই ঘটনার সাথে জড়িত ছিল। এর মধ্যে একটি ফ্লাইটকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে অন্য পথে সরিয়ে নেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, গত বছরের জানুয়ারি মাসে একটি সামরিক হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমানের সংঘর্ষে ৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। ওই ট্র্যাজেডির পর থেকেই রিগ্যান ন্যাশনাল বিমানবন্দরে হেলিকপ্টার ও বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল, যার মধ্যে মার্চ মাসে কার্যকর হওয়া দৃশ্যমানতা-নির্ভর দূরত্ব বজায় রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

0%
0%
0%
0%