AdvertisementAdvertisement

৬০ মিলিয়ন ডলারের প্রচারণার বাধা পেরিয়ে মার্কিন সিনেট নির্বাচনে আবদুল আল-সায়েদের ঐতিহাসিক জয়

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন নিশ্চিত করে ইতিহাস গড়েছেন প্রগতিশীল জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আব্দুল আল-সায়েদ। এনবিসি নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলপন্থী শক্তিশালী লবিস্ট গোষ্ঠীর ৬০ মিলিয়ন ডলারের রেকর্ড পরিমাণ নির্বাচনী প্রচারণাকে নস্যাৎ করে দিয়ে তিনি এই জয় তুলে নেন। এই ফলাফল বর্তমান মার্কিন রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য নীতি নিয়ে ডেমোক্রেটিক দলের অবস্থানকে নতুন করে পর্যালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

নির্বাচনের এই ফলাফল মার্কিন-ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি বা এইপ্যাক-এর জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ফিলিস্তিনপন্থী মনোভাবাপন্ন আল-সায়েদকে হারাতে এই সংস্থাটি তার প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসম্যান হ্যালি স্টিভেন্সের পেছনে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। প্রগতিশীল এই জয় প্রমাণ করে যে, বিপুল অর্থবল সত্ত্বেও রাজনৈতিক সমীকরণে জনমতের প্রভাব এখনো অটুট।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

মিশিগানের এই নির্বাচনী লড়াই এখন জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে আল-সায়েদ রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। এই আসনটি বর্তমান সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার লড়াইয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের জন্যই নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

মিশরে জন্মগ্রহণকারী আল-সায়েদ যদি নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হন, তবে তিনি হবেন মার্কিন ইতিহাসের প্রথম মুসলিম সিনেটর। গুরুত্বপূর্ণ সুইং স্টেট মিশিগানের এই ফলাফল ২০২৪ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর দেশটির রাজনৈতিক আবহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন আল-সায়েদ। তিনি জোরালোভাবে দাবি তুলেছেন যে, বিদেশের সংঘাতে বিপুল অর্থ অপচয় না করে সেই সম্পদ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় জনস্বাস্থ্য, আবাসন ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। তার এই জনবান্ধব ও স্পষ্টবাদী অবস্থান ভোটারদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

0%
0%
0%
0%