অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ বত্রিশের লড়াইয়ে স্পেন

লস অ্যাঞ্জেলেসে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাতটায় বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্পেন ও অস্ট্রিয়া। এই ম্যাচের জয়ী দল শেষ ষোলোয় পর্তুগাল অথবা ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে। বিশ্বকাপের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে আসর শুরু করা স্পেন গ্রুপ পর্বে কিছুটা মন্থর গতিতে এগোলেও, কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে আত্মবিশ্বাসী যে তার শিষ্যরা সঠিক পথেই রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

টুর্নামেন্টের শুরুতে কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে হোঁচট খেলেও, সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেয় স্পেন। এরপর উরুগুয়ের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয় নিয়ে তারা নকআউটে পা রাখে। কোচ দে লা ফুয়েন্তে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, তার দল কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিয়ে রেকর্ডের পথে হাঁটতে অভ্যস্ত এবং এখন তারা নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।

১৯৫৪ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠা অস্ট্রিয়া রালফ রাংনিকের অধীনে দারুণ ছন্দে আছে। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচে ছয় গোল করা অস্ট্রিয়া জানে যে, গত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে টানা ৩৪ ম্যাচ অপরাজিত থাকা স্পেনের বিপক্ষে লড়াই করা কতটা চ্যালেঞ্জিং। রাংনিকের মতে, অস্ট্রিয়াকে তাদের স্বাভাবিক খেলার চেয়ে আরও উচ্চমানের পারফরম্যান্স উপহার দিতে হবে।

স্পেনের বিস্ময় বালক লামিন ইয়ামালকে ঘিরে অস্ট্রিয়ার কৌশল থাকবে বেশ কঠোর। ইয়ামাল সম্পর্কে রাংনিক বলেন, এই তরুণ খেলোয়াড়ের পায়ের কারুকাজ বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করে, তবে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে তাকে বলের দখল কম দিতেই অস্ট্রিয়া তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। ইনজুরির কারণে স্পেনের দলে ইয়েরেমি পিনো এবং নিকো উইলিয়ামস না থাকলেও অস্ট্রিয়া শিবির রয়েছে সম্পূর্ণ শঙ্কামুক্ত।

বিজ্ঞাপন

অপটার সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে স্পেনের জয়ের সম্ভাবনা ৭০.৬ শতাংশ, যেখানে অস্ট্রিয়ার জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ১২.২ শতাংশ। দুই দলের লড়াই অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো বা টাইব্রেকারের সম্ভাবনা ১৭.৩ শতাংশ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ পাঁচবারের মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পেন ৪টি জয় ও একটি ড্র নিয়ে এগিয়ে আছে। তবে ১৯৭৮ বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়ার কাছে স্পেনের ২-১ গোলের হার তাদের কিছুটা সতর্ক থাকতে বাধ্য করছে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

0%
0%
0%
0%