Advertisement

শাদাবের বিধ্বংসী অলরাউন্ড নৈপুণ্যে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস

সিপিএল ২০২৬ আসরে নিজেদের দ্বিতীয় হোম ম্যাচে ত্রিনিবাগো নাইট রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে শ্বাসরুদ্ধকর এই জয়ে ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়েছেন শাদাব খান। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরা হওয়া শাদাব চার ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে একটি উইকেট শিকারের পাশাপাশি ব্যাট হাতে ২০ বলে অপরাজিত ৫২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিয়েছেন।

টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া ফ্যালকনসদের সামনে শুরুতে কিছুটা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল নাইট রাইডার্স। বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত ম্যাচের শুরুতে পাওয়ারপ্লেতে দ্রুত রান তুলে ৭৩ রান সংগ্রহ করে দলটি। অ্যালেক্স হেলস দ্রুত ফিরলেও কলিন মুনরো ও নিকোলাস পুরান আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। তবে অষ্টম ওভারে পুরান ১৭ বলে ৪৩ রান করে আউট হওয়ার পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ফ্যালকনস। শাদাবের মাপা বোলিং এবং জশুয়া জেমসের ২/২৩ ফিগারে চাপে পড়া নাইট রাইডার্স এক পর্যায়ে ছন্দ হারায়। শেষদিকে সুনীল নারাইন ও টেরেন্স হিন্ডসের অপরাজিত ৩৪ রানের জুটিতে ভর করে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রানের সম্মানজনক সংগ্রহ পায় ত্রিনিবাগো।

বিজ্ঞাপন

লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুতেই রিকিম কর্নওয়ালকে হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল ফ্যালকনস। পাওয়ারপ্লেতে মাত্র ৩৩ রান তুলতে পেরেছিল স্বাগতিকরা। ইভিন লুইস ও হাসান নওয়াজ দ্রুত সাজঘরে ফেরার পর আমির জাঙ্গু লড়াই করলেও ৮০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার উপক্রম হয়েছিল দলটির। তখন জয়ের জন্য প্রতি ওভারে ১০ রানের বেশি রান প্রয়োজন ছিল। মঈন আলীর ১১ রানের ছোট ক্যামিও আশা জাগালেও কাইরন পোলার্ডের বলে তিনি বিদায় নিলে ম্যাচ পুরোপুরি শাদাবের হাতে চলে আসে।

বিজ্ঞাপন

ম্যাচের শেষদিকে কুশল পেরেরার সাথে জুটি গড়ে শাদাব দারুণভাবে খেলা নিয়ন্ত্রণে নেন। বিশেষ করে নাথান এডওয়ার্ডের করা ১৮তম ওভারে ২৭ রান তুলে জয়ের পথ সহজ করে দেন তিনি। এডওয়ার্ডের টানা দুটি কোমরের উচ্চতার ফুলটস বলের কারণে তাকে বোলিং থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শাদাব এবং হিন্ডসের ওপর চড়াও হয়ে একের পর এক ছক্কা হাঁকান শাদাব। শেষপর্যন্ত ১৮ দশমিক ৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়েই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অ্যান্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকনস। এই জয়ের ফলে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত ফর্ম বজায় রাখল দলটি।

0%
0%
0%
0%