সানরাইজার্স লিডসকে হারিয়ে দ্য হান্ড্রেডের ফাইনালে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস

চার দিনে দ্বিতীয়বারের মতো সানরাইজার্স লিডসকে হারিয়ে দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস। ওভালে অনুষ্ঠিত এলিমিনেটর ম্যাচে ২০ রানের জয় তুলে নিয়ে সুপার জায়ান্টরা এখন শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চে ট্রেন্ট রকেটসের মুখোমুখি হওয়ার অপেক্ষায়। দলের এই দুর্দান্ত জয়ে বল হাতে জশ টাংয়ের ৪ উইকেট এবং লিউম ডসনের নিয়ন্ত্রিত ডেথ বোলিং ছিল জয়ের মূল চাবিকাঠি।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে টিম সেইফার্ট শূন্য রানে ফিরলেও ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন পল ওয়াল্টার ও হেইনরিখ ক্লাসেন। ওয়াল্টার ৮০ এবং ক্লাসেন ৬৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে ১৮৬ রানের বিশাল সংগ্রহ এনে দেন। জস বাটলারের সংগ্রহ ছিল ৩৩ রান। সানরাইজার্সের বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন ক্লাসেন, ২২ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত অর্ধশতক। ওয়াল্টার পুরো ইনিংসে আটটি ছক্কা হাঁকিয়ে শেষ বলে রান আউট হওয়ার আগে দলের স্কোরকে বড় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
১৮৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সানরাইজার্স লিডস শুরুতেই বিপাকে পড়ে। জশ টাংয়ের বোলিং তোপে মিচেল মার্শ ও জ্যাক ক্রলি দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। হ্যারি ব্রুক ও রায়ান রিকেলটনের ৮১ রানের জুটি আশা দেখালেও শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট ছিল না। ব্রুক ৪৯ রানে সাজঘরে ফেরার পর দ্রুত আরও কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় সানরাইজার্স। রিকেলটন অপরাজিত ৫৪ রান করেও দলকে পরাজয় থেকে বাঁচাতে পারেননি।
ম্যাচের শেষ দিকে যখন সমীকরণ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল, তখন লিউম ডসনের বোলিং নৈপুণ্য ছিল দেখার মতো। ১০ বলে মাত্র ১৩ রান দিয়ে তিনি প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের হাত খুলে খেলার সুযোগ দেননি। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ১০০ বলে সানরাইজার্স ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান করতে সমর্থ হয়। এই জয়ে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস ২০২২ ও ২০২৩ সালের পর তৃতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস ১৮৬/৪ (১০০ বল); সানরাইজার্স লিডস ১৬৬/৭ (১০০ বল)। ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস ২০ রানে জয়ী।
