AdvertisementAdvertisement

সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে পোর্ট অফ স্পেনে মরিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ

ঘরের মাঠে সিরিজ জয়ের হাতছানি নিয়ে পোর্ট অফ স্পেনে পাকিস্তানের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারুবা টেস্টে ৯০ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থাকা রোস্টন চেসের দল এবার লক্ষ্য স্থির করেছে সিরিজ নিজেদের করে নেওয়ার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে এক ইনিংস ও ২১৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় এবং দ্বিতীয় টেস্ট ড্র করার পর ক্যারিবীয়দের পারফরম্যান্সে লেগেছে গতির ছোঁয়া। যদিও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার দৌড়ে নেই তারা, তবে এই ম্যাচ জিতলে ইংল্যান্ডকে টপকে পয়েন্ট তালিকার সপ্তম স্থানে উঠে আসবে স্বাগতিকরা।

২০২৫ সালের দুঃসহ সময় কাটিয়ে ওঠার পেছনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অধিনায়ক রোস্টন চেস। গত বছর ৯ টেস্টে মাত্র একটি জয় পাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ যে সঠিক পথে ফিরছে, তা তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সেই স্পষ্ট। চেস সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘরের মাঠকে তারা দুর্ভেদ্য করে তুলতে চান। নিজেদের কন্ডিশন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকায় প্রতিপক্ষকে চাপে রাখাই তাদের মূল কৌশল। সিরিজ জেতার পাশাপাশি ঘরের মাঠে সফরকারী দলগুলোর জন্য ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জকে কঠিনতম গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

পরিসংখ্যানও বলছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এগিয়ে আছে। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ এবং সবশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে পাকিস্তান টানা আটটি টেস্ট ম্যাচে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে। তবে পোর্ট অফ স্পেনের কুইন্স পার্ক ওভালের পিচ তারুবার চেয়ে ভিন্ন চরিত্রের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখানকার উইকেট স্পিনারদের বাড়তি সুবিধা দিতে পারে, যা উভয় দলের একাদশ গঠনে বড় প্রভাব ফেলবে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

ইনজুরির কারণে প্রথম টেস্টে বল করতে পারেননি অধিনায়ক রোস্টন চেস। ডান হাতের আঙুলের চোট নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকলেও তিনি আশাবাদী যে রবিবার থেকে নিয়মিত বল করতে পারবেন। জোমেল ওয়ারিকানের পাশাপাশি দ্বিতীয় স্পিন অপশন হিসেবে চেসের উপস্থিতি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বাড়তি স্বস্তি দিচ্ছে। দলের বোলিং ভারসাম্য বজায় রাখতে নতুন মুখ বাঁহাতি স্পিনার জশুয়া বিশপকে একাদশে নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে পাকিস্তান দল তাদের স্পিন আক্রমণ শক্তিশালী করার কথা ভাবছে। প্রথম টেস্টে আলি উসমান একমাত্র বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে খেললেও এবার অভিজ্ঞ সাজিদ খানকে দলে ফেরানোর সুযোগ রয়েছে তাদের। সলমন আঘাও বল হাতে ভূমিকা রাখতে পারেন। সব মিলিয়ে দুই দলের লড়াই এখন কেবল উইকেটের লড়াই নয়, বরং কৌশল আর স্পিন দক্ষতার এক দারুণ দ্বৈরথ হয়ে ওঠার অপেক্ষায়। রবিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া এই ম্যাচে কারা শেষ হাসি হাসবে, তা জানতে মুখিয়ে আছে ক্রিকেট বিশ্ব।

0%
0%
0%
0%