Infinix Note 40S

Price: 26,999 Official
8GB/256GB ৳26,999

General & Launch

Model Note 40S
Status Available
Release Date July 2024
Warranty Official Warranty
Made In Bangladesh

Network

Network 4G
SIM Dual SIM

Body

Dimensions 164.3 x 74.6 x 7.7 mm
Weight 176g
Build Glass front
Colors Vintage Green, Obsidian Black

Display

Type & Size AMOLED, 6.78 inches
Resolution 1080 x 2436 pixels
Refresh Rate 120Hz
Protection Corning Gorilla Glass

Platform

OS Android 14
Chipset Mediatek Helio G99 Ultimate
CPU Octa-core
GPU Mali-G57 MC2 Card

Memory

RAM 8GB
Storage 256GB
Card Slot No

Camera

Main Camera 108 MP + 2 MP
Features Quad-LED
Video 1440p@30fps
Selfie Camera 32 MP
Selfie Video 1080p@30fps

Sound

Loudspeaker Stereo (JBL)
3.5mm Jack No

Connectivity

WLAN Dual-band
Bluetooth Yes
GPS Yes
NFC Yes
Radio Yes
USB Type-C 2.0

Battery

Capacity Li-Po 5000 mAh
Charging 33W wired

Features

Sensors Fingerprint (under display)
Infinix Note 40S সুবিধা
  • ৫৫-ডিগ্রি কার্ভড অ্যামোলেড ডিসপ্লে ও ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।
  • ম্যাগনেটিক ওয়্যারলেস চার্জিং (MagCharge) সুবিধা।
  • ১০৮ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা ও ৩এক্স লসলেস জুম।
  • জেবিএল (JBL) টিউনড ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার।
  • অ্যাক্টিভ হ্যালো (Active Halo) এআই লাইটিং।
  • প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং ইন-বক্স ম্যাগনেটিক কেস।
  • আইপি ৫৪ ডাস্ট ও স্প্ল্যাশ রেজিস্ট্যান্স।
Infinix Note 40S অসুবিধা
  • ৫জি কানেক্টিভিটি নেই।
  • ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক নেই।
  • মেমোরি কার্ড স্লট নেই।
  • আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা লেন্স অনুপস্থিত।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

Infinix Note 40S market price in Bangladesh is ২৬,৯৯৯ টাকা (অফিসিয়াল)। স্মার্টফোন বাজারে ইনফিনিক্স তাদের নোট সিরিজের মাধ্যমে বরাবরই চমক দিতে পছন্দ করে। বাজেট এবং মিডরেঞ্জ গ্রাহকদের প্রিমিয়াম ফিচারের স্বাদ দেওয়াই যেন তাদের মূল লক্ষ্য। ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজটি বাজারে আসার পর থেকেই এর ডিজাইন এবং চার্জিং প্রযুক্তি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

Advertisement

এই সিরিজেরই একটি বিশেষ সংস্করণ হলো Infinix Note 40S। এই ফোনটি তাদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যারা নোট ৪০ প্রো-এর মতো ফ্ল্যাগশিপ ফিল চান কিন্তু বাজেট কিছুটা সীমিত। বিশেষ করে এর ৫৫-ডিগ্রি কার্ভড অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ম্যাগনেটিক ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি এই প্রাইস পয়েন্টে একে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। আজকের এই পর্যালোচনায় আমরা দেখব, ২৬-২৭ হাজার টাকার বাজেটে এই ফোনটি আসলে কতটা ভ্যালু ফর মানি প্রদান করে। ডিজাইন, ডিসপ্লে, হার্ডওয়্যার, ক্যামেরা এবং ব্যাটারি পারফর্মেন্স—সবকিছুই একদম গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হবে।

ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি Infinix Note 40S এর ডিজাইন দর্শনে আভিজাত্য এবং আধুনিকতার ছোঁয়া স্পষ্ট। ফোনটি হাতে নিলেই মনে হবে আপনি অন্তত ৪০-৫০ হাজার টাকার কোনো ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ব্যবহার করছেন। এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর থ্রি-ডি কার্ভড স্ক্রিন, যা ফোনটিকে অত্যন্ত স্লিম এবং প্রিমিয়াম লুক দিয়েছে। ফোনটির পুরুত্ব মাত্র ৭.৭ মিলিমিটার এবং ওজন ১৭৬ গ্রাম। এত হালকা হওয়ার কারণে দীর্ঘক্ষণ এক হাতে ফোনটি ব্যবহার করলেও কোনো ক্লান্তি আসে না।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

পেছনের প্যানেলে ইনফিনিক্স দুটি ভেরিয়েন্ট এনেছে—অবসিডিয়ান ব্ল্যাক এবং ভিন্টেজ গ্রিন। ভিন্টেজ গ্রিন কালারটিতে ভেগান লেদার ফিনিশ ব্যবহার করা হয়েছে, যা হাতে ধরলে খুব আরামদায়ক এবং এতে আঙুলের ছাপ পড়ে না। অন্যদিকে কালো রঙটিতে মার্বেল টেক্সচারের মতো ফিনিশ রয়েছে। ক্যামেরা মডিউলটি বেশ বড় এবং সেখানে ইনফিনিক্সের সিগনেচার “অ্যাক্টিভ হ্যালো” (Active Halo) লাইটিং ব্যবহার করা হয়েছে।

এই এআই লাইটিং ফিচারটি নোটিফিকেশন, ইনকামিং কল, মিউজিক প্লেব্যাক বা চার্জিংয়ের সময় বিভিন্ন রঙে জ্বলে ওঠে, যা ফোনটিকে একটি ফিউচারিস্টিক লুক দেয়। ফোনের ফ্রেমটি প্লাস্টিকের হলেও এতে মেটালিক গ্লস ব্যবহার করা হয়েছে। বাটনগুলোর প্লেসমেন্ট বেশ সুবিধাজনক। তবে স্লিম করতে গিয়ে কোম্পানি ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক বাদ দিয়েছে, যা অনেকের জন্য অসুবিধার কারণ হতে পারে। আইপি ৫৪ (IP54) রেটিং থাকায় এটি ধুলোবালি এবং হালকা পানির ঝাপটা থেকে সুরক্ষিত থাকবে।

ডিসপ্লে ও ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা এই বাজেটে কার্ভড ডিসপ্লে পাওয়াটা এখনো অনেক ব্যবহারকারীর কাছে স্বপ্নের মতো, আর ইনফিনিক্স নোট ৪০এস সেই স্বপ্নকেই বাস্তবে রূপ দিয়েছে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চির একটি বিশাল এফএইচডি প্লাস (FHD+) অ্যামোলেড প্যানেল। ডিসপ্লেটি ৫৫-ডিগ্রি কার্ভড হওয়ায় বেজেলগুলো প্রায় নেই বললেই চলে। এর ফলে ভিডিও দেখা বা কন্টেন্ট কনজিউম করার সময় এক অসাধারণ ইমারসিভ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।

ডিসপ্লেটি ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে, যা ইউজার ইন্টারফেস এবং স্ক্রলিং অভিজ্ঞতাকে মাখনের মতো মসৃণ করে তোলে। টাচ স্যাম্পলিং রেট ৩৬০ হার্টজ হওয়ায় টাচ রেসপন্স অত্যন্ত দ্রুত। এর পিক ব্রাইটনেস ১৩০০ নিটস, যার ফলে প্রখর রোদেও স্ক্রিন দেখতে কোনো সমস্যা হয় না। কালার রিপ্রোডাকশন খুবই চমৎকার; ১০-বিট কালার ডেপথ থাকার কারণে ১ বিলিয়ন কালার দেখাতে সক্ষম এই ডিসপ্লে। কালো রংগুলো গভীর এবং অন্যান্য রংগুলো বেশ ভাইব্রেন্ট ও পাচি দেখায়।

চোখের সুরক্ষার জন্য এতে টিইউভি রেইনল্যান্ড সার্টিফিকেশন রয়েছে এবং পিডব্লিউএম ডিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কম আলোতে চোখের ওপর চাপ কমায়। নিরাপত্তা হিসেবে এতে ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর রয়েছে যা বেশ ফাস্ট এবং একুরেট। এছাড়াও ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য কর্নিং গোরিলা গ্লাসের আস্তরণ দেওয়া হয়েছে।

পারফর্মেন্স ও হার্ডওয়্যার Infinix Note 40S এর পারফর্মেন্স নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ আলটিমেট (Helio G99 Ultimate) চিপসেট। এটি ৬ ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে তৈরি একটি অক্টা-কোর প্রসেসর। যদিও এই বাজেটে অনেকে ৫জি চিপসেট আশা করেন, কিন্তু ইনফিনিক্স এখানে পারফর্মেন্স স্টেবিলিটি এবং অন্যান্য ফিচারের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। জি৯৯ আলটিমেট প্রসেসরটি সাধারণ জি৯৯ এর চেয়ে এআই টাস্ক এবং ক্যামেরা প্রসেসিংয়ে কিছুটা উন্নত।

এর সাথে রয়েছে ৮ জিবি এলপিডিডিআর৪এক্স র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি ইউএফএস ২.২ স্টোরেজ। মেমোরি ফিউশন প্রযুক্তির মাধ্যমে র‍্যাম আরও ৮ জিবি পর্যন্ত বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। দৈনন্দিন কাজ যেমন—সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং, মাল্টিটাস্কিং এবং অ্যাপ ওপেনিংয়ের ক্ষেত্রে ফোনটি কোনো ধরনের ল্যাগ ছাড়াই কাজ করে। ইনফিনিক্সের নিজস্ব চিতা এক্স১ (Cheetah X1) পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট চিপ থাকার কারণে ব্যাটারি এবং পারফর্মেন্সের মধ্যে ভালো ভারসাম্য বজায় থাকে।

গেমিংয়ের ক্ষেত্রে, পাবজি বা কল অফ ডিউটির মতো গেমগুলো স্মুথ গ্রাফিক্স এবং আল্ট্রা ফ্রেম রেটে খেলা যায়। ফ্রি ফায়ার বা মোবাইল লিজেন্ডস-এর মতো গেমগুলোতে হাই ফ্রেম রেট পাওয়া যায়। এক্স-এরিনা (XArena) গেম মোডটি গেমিং পারফর্মেন্সকে আরও বুস্ট করে। তবে খুব দীর্ঘক্ষণ হাই গ্রাফিক্স গেমিং করলে ফোনটি ক্যামেরা মডিউলের আশেপাশে সামান্য গরম হতে পারে, যা ভিসি লিকুইড কুলিং প্রযুক্তির কারণে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৪ ভিত্তিক এক্সওএস ১৪ (XOS 14) ইন্টারফেসে চলে। ইনফিনিক্সের সফটওয়্যার আগের চেয়ে অনেক বেশি রিফাইন এবং ক্লিন হয়েছে। এক্সওএস ১৪-এ নতুন কন্ট্রোল সেন্টার, ফোল্ডার ডিজাইন এবং লক স্ক্রিন কাস্টমাইজেশনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে। এতে বেশ কিছু এআই ফিচার রয়েছে, যেমন—এআই ওয়ালপেপার জেনারেটর এবং ফলোক্স (Folax) ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট। অ্যাক্টিভ হ্যালো লাইটিং কাস্টমাইজ করার জন্য আলাদা সেটিংস রয়েছে, যেখানে আপনি পছন্দমতো লাইটিং ইফেক্ট সেট করতে পারবেন।

ডায়নামিক বার ফিচারটি আইফোনের ডায়নামিক আইল্যাল্ডের মতো কাজ করে, যেখানে ফেস আনলক, চার্জিং স্ট্যাটাস এবং কল ডিউরেশন দেখা যায়। কোম্পানি এই ফোনের জন্য ২ বছরের মেজর অ্যান্ড্রয়েড আপডেট এবং ৩ বছরের সিকিউরিটি প্যাচ আপডেটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তির বিষয়। তবে ফোনে এখনো কিছু প্রি-ইনস্টল অ্যাপ বা ব্লোটওয়্যার রয়েছে, যা চাইলে আনইনস্টল করা যায়।

ক্যামেরা সেকশন ফটোগ্রাফির জন্য ফোনের পেছনে ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপের মতো দেখালেও মূলত এটি ডুয়েল ক্যামেরা সেটআপ। প্রধান ক্যামেরাটি ১০৮ মেগাপিক্সেলের, যা দিনের আলোতে অত্যন্ত ডিটেইলড এবং শার্প ছবি তুলতে সক্ষম। ইনফিনিক্সের সেন্সর জুম প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটি ৩-গুণ লসলেস জুম (Lossless Zoom) সুবিধা দেয়, ফলে দূরবর্তী বস্তুর ছবিও ফেটে যায় না। ছবির কালার সায়েন্স কিছুটা স্যাচুরেটেড, যা ছবিগুলোকে দেখতে বেশ আকর্ষণীয় করে তোলে।

পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার এবং এজ ডিটেকশন বেশ ভালো। তবে ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো লেন্সটি খুব একটা কাজের নয়। লো-লাইট বা কম আলোতে ছবি তোলার সময় সুপার নাইট মোড বেশ ভালো কাজ করে। এটি নয়েজ কমিয়ে ছবিকে উজ্জ্বল এবং পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ভিডিওগ্রাফির জন্য এটি ২কে (2K) রেজোলিউশনে ৩০ এফপিএস এবং ১০৮০পি রেজোলিউশনে ৬০ এফপিএস ভিডিও রেকর্ড করতে পারে।

ভিডিওতে স্ট্যাবিলাইজেশনের জন্য ইআইএস (EIS) সুবিধা রয়েছে, তবে ফোর-কে রেকর্ডিং না থাকাটা অনেকের কাছে মাইনাস পয়েন্ট হতে পারে। সেলফি তোলার জন্য সামনে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা। এটি দিয়ে দিনের আলোতে স্কিন টোন ঠিক রেখে বেশ সুন্দর এবং সোশ্যাল মিডিয়া রেডি সেলফি তোলা যায়। সামনের ক্যামেরাতে ডুয়েল ফ্ল্যাশলাইট থাকার কারণে অন্ধকারেও ভিডিও কল করা সহজ।

ব্যাটারি ও চার্জিং Infinix Note 40S এর অন্যতম বড় ইউএসপি (Unique Selling Point) হলো এর চার্জিং ইকোসিস্টেম। এতে ৫০০০ এমএএইচ এর ব্যাটারি রয়েছে যা সাধারণ ব্যবহারে অনায়াসেই দেড় দিন ব্যাকআপ দিতে পারে। ফোনটি চার্জ করার জন্য বক্সে ৩৩ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রো মডেলে ৪৫ বা ৭০ ওয়াট দেওয়া হয়েছে, তবুও ৩৩ ওয়াট দিয়ে এই ফোন চার্জ হতে প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মতো সময় নেয়। তবে সবচেয়ে বড় চমক হলো এর ওয়্যারলেস চার্জিং বা ম্যাগচার্জ (MagCharge) সুবিধা।

এই বাজেটের ফোনে ২০ ওয়াটের ম্যাগনেটিক ওয়্যারলেস চার্জিং পাওয়াটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। ইনফিনিক্স বক্সে একটি ম্যাগনেটিক কেস (MagCase) ফ্রি দিচ্ছে, যা ব্যবহার করে আপনি ম্যাগনেটিক পাওয়ার ব্যাংক বা চার্জার দিয়ে তারবিহীন চার্জিং উপভোগ করতে পারবেন। এছাড়াও এতে বাইপাস চার্জিং সুবিধা রয়েছে, অর্থাৎ গেম খেলার সময় ব্যাটারি চার্জ না হয়ে সরাসরি মেইন লাইন থেকে ফোন চলবে, ফলে ফোন গরম হবে না। রিভার্স চার্জিং সুবিধাও এতে রয়েছে, যার মাধ্যমে আপনি অন্য ছোট ডিভাইস চার্জ দিতে পারবেন।

অডিও ও কানেক্টিভিটি সাউন্ড কোয়ালিটির জন্য ইনফিনিক্স জেবিএল (JBL) এর সাথে পার্টনারশিপ করেছে। এর ডুয়েল স্টেরিও স্পিকারগুলো বেশ লাউড এবং ৩৬০-ডিগ্রি সাউন্ড ইফেক্ট প্রদান করে। মুভি দেখা বা গেম খেলার সময় সাউন্ড বেশ ইমারসিভ মনে হয়। কানেক্টিভিটির দিক থেকে এটি ডুয়েল ব্যান্ড ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, জিপিএস এবং এনএফসি সাপোর্ট করে। আইআর ব্লাস্টার (IR Blaster) থাকায় ফোনটি দিয়ে আপনি এসি বা টিভি রিমোট হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে ৩.৫ মিমি জ্যাক না থাকায় টাইপ-সি কনভার্টার বা ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করতে হবে।

সব মিলিয়ে, Infinix Note 40S তাদের জন্য একটি পারফেক্ট চয়েস যারা বাজেটের মধ্যে ফ্ল্যাগশিপ ডিজাইন এবং প্রিমিয়াম ফিচার খুঁজছেন। আপনি যদি হেভি গেমার না হন এবং ৫জি আপনার জন্য খুব জরুরি না হয়, তবে এই ফোনের কার্ভড ডিসপ্লে, ওয়্যারলেস চার্জিং এবং অ্যাক্টিভ হ্যালো লাইটিং আপনাকে মুগ্ধ করবে। ২৬-২৭ হাজার টাকার মধ্যে এটি একটি কমপ্লিট লাইফস্টাইল স্মার্টফোন।

Infinix Note 40S আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement