GDL GigaX Y11

Price: 7,990 Official
3/64 GB ৳7,990

General & Launch

Model GDL GigaX Y11
Status Available
Release Date December 15, 2025
Warranty Official Warranty
Made In Bangladesh

Network

Network 2G / 3G / 4G
SIM Dual SIM (Nano-SIM)

Body

Dimensions 7.78 x 77.5 x 8.86 mm
Weight 190g
Build Plastic body
Colors Various (Multicolor)

Display

Type & Size IPS LCD, 6.745 inches
Resolution 720 x 1600 pixels
Refresh Rate 90Hz
Protection Glass front

Platform

OS Android 15 Go
Chipset Unisoc T603 (22nm)
CPU Octa-core 1.8 GHz
GPU PowerVR GE832

Memory

RAM 3 GB
Storage 64 GB
Card Slot Yes

Camera

Main Camera 13 MP + AI
Features LED flash
Video 1080p@30fps
Selfie Camera 5 MP
Selfie Video 720p@30fps

Sound

Loudspeaker Yes
3.5mm Jack Yes

Connectivity

WLAN Wi-Fi 802.11 b/g/n
Bluetooth Yes
GPS Yes
NFC No
Radio Yes
USB Type-C 2.0

Battery

Capacity Type-C 2.0
Charging 10W wired

Features

Sensors Fingerprint (Side), G-sensor
GDL GigaX Y11 সুবিধা
  • বাজেট-ফ্রেন্ডলি: ৭,৯৯০ টাকায় বেশ ভালো স্পেসিফিকেশন।
  • বড় ডিসপ্লে: ৬.৭৪৫ ইঞ্চির বিশাল স্ক্রিন এবং ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট।
  • ব্যাটারি: ৫০০০ mAh ব্যাটারি সারাদিন ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট।
  • স্টোরেজ: এই বাজেটে ৬৪ জিবি স্টোরেজ পাওয়া বেশ লাভজনক।
  • ডিজাইন: আধুনিক এবং স্লিম ডিজাইন (৮.৮৬ মিমি)।
  • ইউএসবি টাইপ-সি: চার্জিং এবং ডাটা ট্রান্সফারের জন্য আধুনিক পোর্ট।
  • ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর: সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর দ্রুত কাজ করে।
  • অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন: লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ১৫ (গো এডিশন)।
GDL GigaX Y11 অসুবিধা
  • চার্জিং গতি: মাত্র ১০ ওয়াট চার্জিং যা পূর্ণ চার্জ হতে বেশ সময় নেয়।
  • ক্যামেরা: ১৩ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা চলনসই হলেও কম আলোতে ভালো ছবি আসে না।
  • প্রসেসর: ইউনিসক টি৬০৩ চিপসেটটি সাধারণ কাজের জন্য ঠিক থাকলেও ভারি গেমের জন্য নয়।
  • র‍্যাম: মাত্র ৩ জিবি ফিজিক্যাল র‍্যাম মাল্টিটাস্কিংয়ের জন্য কিছুটা কম হতে পারে (যদিও ভার্চুয়াল র‍্যাম সুবিধা আছে)।
শেয়ার করুন

বিস্তারিত

বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে এন্ট্রি-লেভেল বা বাজেট সেগমেন্ট সবসময়ই খুব প্রতিযোগিতামূলক। আর এই প্রতিযোগিতায় নতুন সংযোজন হলো GDL GigaX Y11। মাত্র ৭,৯৯০ টাকা মূল্যের এই ফোনটি কাগজে-কলমে বেশ কিছু চমকপ্রদ ফিচার অফার করছে। কিন্তু বাস্তবে এটি কেমন পারফর্ম করে?

Advertisement

১. আনবক্সিং ও প্রথম ইম্প্রেশন

GDL GigaX Y11 এর বক্সে ফোনটি ছাড়াও আপনি পাবেন একটি ১০ ওয়াটের চার্জার, একটি ইউএসবি টাইপ-সি কেবল, একটি স্বচ্ছ ব্যাক কভার, সিম ইজেক্টর পিন এবং ওয়ারেন্টি কার্ড। বক্স খোলার পর প্রথম দর্শনেই ফোনটি হাতে নিলে এর বিল্ড কোয়ালিটি আপনাকে মুগ্ধ করবে। প্লাস্টিক বডি হলেও এর ফিনিশিং বেশ প্রিমিয়াম। ফোনটি আকারে বেশ বড় হলেও ওজনে খুব একটা ভারি মনে হয় না, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের জন্য সুবিধাজনক।

২. ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটি

ফোনটির ডিজাইন বর্তমান সময়ের ট্রেন্ডের সাথে মানানসই। এর পেছনের অংশে ক্যামেরা মডিউলটি বেশ আধুনিক এবং স্টাইলিশ। ১৬৭.৭৮ মিমি লম্বা এবং ৮.৮৬ মিমি পুরু এই ফোনটি হাতে ধরলে বেশ শক্তপোক্ত মনে হয়। এর ডান পাশে রয়েছে ভলিউম রকার এবং পাওয়ার বাটন, যার সাথেই যুক্ত করা হয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। বাম পাশে রয়েছে সিম কার্ড ট্রে। নিচের অংশে রয়েছে টাইপ-সি পোর্ট, স্পিকার গ্রিল এবং ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক। বাজেট ফোন হিসেবে এর ডিজাইন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

৩. ডিসপ্লে: বড় স্ক্রিনের অভিজ্ঞতা

এই ফোনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর ডিসপ্লে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৬.৭৪৫ ইঞ্চির একটি বিশাল IPS LCD প্যানেল। ৭,৯৯০ টাকা দামের ফোনে ৯০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট পাওয়াটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সাধারণ স্ক্রলিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিংয়ের সময় এই উচ্চ রিফ্রেশ রেট বেশ স্মুথ অভিজ্ঞতা দেয়। যদিও রেজোলিউশন ৭২০ x ১৬০০ পিক্সেল (HD+), তবুও কালার রিপ্রোডাকশন এবং ভিউয়িং এঙ্গেল দাম অনুযায়ী বেশ ভালো। তবে সরাসরি সূর্যের আলোতে ব্রাইটনেস কিছুটা কম মনে হতে পারে। ভিডিও দেখা বা গেম খেলার সময় এর বড় স্ক্রিন বেশ উপভোগ্য।

৪. পারফরম্যান্স ও হার্ডওয়্যার

GDL GigaX Y11 এ ব্যবহার করা হয়েছে ইউনিসক টি৬০৩ (Unisoc T603) অক্টা-কোর প্রসেসর। এটি একটি এন্ট্রি-লেভেল চিপসেট যা সাধারণ ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর সাথে রয়েছে ৩ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। উল্লেখ্য যে, এতে ভার্চুয়াল র‍্যাম এক্সপেনশন টেকনোলজি রয়েছে, যা র‍্যামের ঘাটতি কিছুটা পূরণ করে।

দৈনন্দিন কাজ যেমন—ফেসবুক চালানো, ইউটিউব দেখা, বা ওয়েব ব্রাউজিং করার সময় ফোনটি বেশ ভালোভাবেই কাজ করে। তবে আপনি যদি পাবজি বা কল অফ ডিউটির মতো ভারি গেম খেলতে চান, তবে কিছুটা ল্যাগ বা ফ্রেম ড্রপের সম্মুখীন হতে পারেন। ফ্রি ফায়ার বা সাবওয়ে সার্ফারের মতো হালকা গেমগুলো এতে মোটামুটি স্মুথলি খেলা যায়। অ্যান্ড্রয়েড ১৫ (গো এডিশন) অপারেটিং সিস্টেম থাকায় কম র‍্যামেও অ্যাপগুলো দ্রুত ওপেন হয় এবং ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসগুলো ভালোভাবে অপটিমাইজড থাকে।

৫. ক্যামেরা: বাজেট অনুযায়ী কেমন?

ফোনটির পেছনে রয়েছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ—১৩ মেগাপিক্সেল মেইন সেন্সর এবং একটি এআই লেন্স। দিনের আলোতে মেইন ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবিগুলো বেশ শার্প এবং কালারফুল হয়। ডায়নামিক রেঞ্জ খুব একটা আহামরি না হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার মতো ছবি এতে তোলা সম্ভব। তবে ইনডোর বা কম আলোতে ছবিতে কিছুটা নয়েজ বা ঝিরঝিরে ভাব দেখা যায়। নাইট মোড থাকলেও তা খুব একটা কার্যকর নয়।

সেলফির জন্য সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ভিডিও কলের জন্য এটি যথেষ্ট, তবে ভালো মানের সেলফি তোলার জন্য পর্যাপ্ত আলোর প্রয়োজন হবে। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে ১০৮০পি রেজোলিউশনে ভিডিও করা যায়, তবে এতে কোনো স্ট্যাবিলাইজেশন নেই, তাই হাঁটাচলার সময় ভিডিও কিছুটা কেঁপে যেতে পারে।

৬. ব্যাটারি ও চার্জিং

৫০০০ mAh এর ব্যাটারি এই ফোনের আরেকটি শক্তিশালী দিক। সাধারণ ব্যবহারে এটি অনায়াসেই দেড় থেকে দুই দিন ব্যাকআপ দিতে পারে। যারা প্রচুর ভিডিও দেখেন বা গেম খেলেন, তারাও এক দিনের বেশি ব্যাকআপ পাবেন। তবে ব্যাটারি বড় হলেও চার্জিং স্পিড বেশ কম। বক্সে দেওয়া ১০ ওয়াটের চার্জার দিয়ে ০ থেকে ১০০% চার্জ করতে প্রায় ৩ ঘণ্টার মতো সময় লাগতে পারে, যা বর্তমান সময়ে একটু বিরল। তবে টাইপ-সি পোর্ট থাকায় আপনি চাইলে অন্য কোনো ফাস্ট চার্জার ব্যবহার করে দেখতে পারেন, যদিও ফোনটি ১০ ওয়াটের বেশি ইনপুট সাপোর্ট করবে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

৭. সফটওয়্যার ও ইউজার ইন্টারফেস

ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১৫ (গো এডিশন) এ চলে। গো এডিশন মূলত কম র‍্যামের ফোনের জন্য ডিজাইন করা হালকা ও দ্রুতগতির অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন। এতে অপ্রয়োজনীয় ব্লোটওয়্যার বা প্রি-ইনস্টল করা অ্যাপ খুব একটা নেই, যা স্টোরেজ বাঁচাতে সাহায্য করে। ইন্টারফেসটি বেশ ক্লিন এবং ইউজার-ফ্রেন্ডলি। তবে নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট পাওয়া নিয়ে কিছুটা সংশয় থাকতে পারে, কারণ বাজেট ব্র্যান্ডগুলো সচরাচর দীর্ঘমেয়াদী আপডেট দেয় না।

৮. কানেক্টিভিটি ও সেন্সর

এটি একটি ৪জি ফোন এবং এতে ডুয়াল সিম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। কল কোয়ালিটি এবং নেটওয়ার্ক রিসেপশন বেশ ভালো। ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ এবং জিপিএস ঠিকঠাক কাজ করে। নিরাপত্তার জন্য এতে সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ফেস আনলক সুবিধা রয়েছে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটি বেশ দ্রুত এবং নির্ভুল।

৯. চূড়ান্ত রায়: কেন কিনবেন?

৭,৯৯০ টাকায় GDL GigaX Y11 আসলে কাদের জন্য?

  • আপনি যদি স্টুডেন্ট হন এবং অনলাইন ক্লাস বা সাধারণ ব্যবহারের জন্য একটি বড় স্ক্রিনের ফোন খুঁজছেন।
  • আপনার বাজেট যদি খুব টাইট হয় কিন্তু আপনি আধুনিক সব ফিচার (ফিঙ্গারপ্রিন্ট, টাইপ-সি, ৯০ হার্টজ ডিসপ্লে) চান।
  • আপনি যদি সেকেন্ডারি ফোন হিসেবে একটি ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপের ফোন খুঁজছেন।

তবে, আপনি যদি একজন হার্ডকোর গেমার হন বা ফটোগ্রাফি আপনার প্রধান অগ্রাধিকার হয়, তবে আপনাকে বাজেট বাড়িয়ে অন্য কোনো মডেল দেখার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।

সামগ্রিকভাবে, দাম বিবেচনায় GDL GigaX Y11 একটি ভ্যালু-ফর-মানি ডিভাইস। এর বড় ডিসপ্লে, বিশাল স্টোরেজ এবং ভালো ব্যাটারি ব্যাকআপ একে এই বাজেটের অন্যতম সেরা অপশনে পরিণত করেছে।

GDL GigaX Y11 আপনার কাছে কেমন লেগেছে?

গড় রেটিং: 0 / 5 (মোট 0 জন রেটিং করেছেন)
Design:
No ratings
Display:
No ratings
Performance:
No ratings
Camera:
No ratings
Battery:
No ratings
Features:
No ratings
Connectivity:
No ratings
Usability:
No ratings
Advertisement