AdvertisementAdvertisement

মানিকগঞ্জে হারুনার রশিদ খান মুন্নুর নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

মানিকগঞ্জের গিলন্ড এলাকায় অবস্থিত মুন্নু সিটিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নুর নবম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১টায় মরহুমের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা। এ সময় মরহুমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় এবং তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনকালে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান, নুরতাজ আলম বাহার, গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, আব্দুস সালাম বাদল, অ্যাডভোকেট আরিফ হোসেন লিটন ও রিয়াজ মাহমুদ হারেজ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জেলা যুবদলের তুহিনুর রহমান তুহিন ও জিয়াউদ্দিন আহম্মেদ কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের জিন্নাহ খান ও রকিবুর রহমান রাকিব এবং ছাত্রদলের আব্দুল খালেক শুভ ও সিরাজুল ইসলাম খান সজীবসহ দলীয় অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

এর আগে মুন্নু মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. আব্দুল করিম, উপাধ্যক্ষ ডা. বোরহান উদ্দিন আহাম্মেদ, হাসপাতালের পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জুলফিকার আহম্মেদ আমিনী ও মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল জহিরুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা মরহুমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের জন্য বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা, ফিজিওথেরাপি এবং মেডিকেল টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়। এছাড়া ভর্তি রোগীদের জন্য বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি মুন্নু ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মুন্নু ফ্যাব্রিক্স এবং হুরুন নাহার জামে মসজিদে কোরআন খতম, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

Advertisement
বিজ্ঞাপন

কবর জিয়ারত শেষে আফরোজা খানম রিতা মুন্নু মেডিকেল কলেজের নতুন ১০ তলা ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন এবং মেডিকেল কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর মানিকগঞ্জে প্রথমবারের মতো মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চার শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং চিকিৎসাসেবায় অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আফরোজা খানম রিতা বলেন, আমার বাবা ছিলেন সততার প্রতীক ও আপসহীন নেতা, যাঁর জীবনদর্শন আমার পথচলার প্রেরণা। তিনি কখনোই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে নিজেকে দূরে রেখেছেন। তিনি ও আমার মা আমাদের দুই বোনকে অপরিসীম ভালোবাসতেন এবং তাঁদের অভাব আমি প্রতিনিয়ত অনুভব করি।

0%
0%
0%
0%